কলকাতা: যত কাণ্ড আর জি কর হাসপাতালেই। লিফট বিপর্যয়, অব্যবস্থার কারণে রোগীমৃত্যুর অভিযোগ নিয়ে তোলপাড়ের আবহেই এবার 'ছিনতাই'। ট্রমা কেয়ারের পাশে অপেক্ষার সময় হাসপাতালের কর্মী পরিচয় দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। অভিযোগকারীর দাবি, তাঁর পকেট থেকে ৬ হাজার টাকা ছিনতাই করে নেওয়া হয়েছে। ঘটনায় হাসপাতালে থাকা পুলিশকর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বহরমপুরের ওই বাসিন্দা। 

Continues below advertisement

ফের সেই আর জি কর হাসপাতাল, চিকিৎসা করাতে এসে অব্যবস্থায় প্রৌঢ়ের মৃত্যুর অভিযোগ। 'বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ায় প্রৌঢ় বিশ্বজিৎ সামন্তকে আনা হয়েছিল আর জি কর হাসপাতালে', ট্রমা কেয়ারে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রোগীর শৌচাগারে যাওয়ার প্রয়োজন হয়, দাবি পরিবারের। কীভাবে মৃত্যু হল বিশরপাড়ার বিশ্বজিৎ সামন্তের? ট্রমা কেয়ারের শৌচাগার থেকে রোগীকে গেটের কাছে সুলভ শৌচালয় নিয়ে যাওয়ার পথে কী হয়েছিল? 

অভিযোগ, তখন বিশ্বজিৎ সামন্তকে হাসপাতালের তরফে সুলভ শৌচালয়ে যেতে বলা হয়। পরিবারের অভিযোগ, মেলেনি স্ট্রেচার, হাঁটিয়েই নিয়ে যেতে হয় রোগীকে। 'ট্রমা কেয়ার থেকে হাসপাতালের গেটের পাশে সুলভ শৌচালয়ের দূরত্ব ৫০ মিটার', এই দূরত্ব হেঁটে যেতে গিয়ে অচৈতন্য রোগী, অভিযোগ মৃতের পরিবারের।                                            

Continues below advertisement

পরে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের অব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে মৃতের পরিবার। এখনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগে মামলা রুজু করে তদন্তে টালা থানা।                                                                     

আর জি কর হাসপাতালে ফের রোগী মৃত্যু। হাসপাতালের চিকিৎসকদের উপর দায় চাপালেন অতীন ঘোষ। 'সেরিব্রাল অ্যাটাক হয়েছে এমন রোগীকে কেন নিজেদের টয়লেট খুলে দিলেন না চিকিৎসকরা। রোগীকে ট্রমা কেয়ার সেন্টার থেকে বেরোতে দেওয়া উচিত হয়নি। এটা উপস্থিত ডাক্তার আর নার্সদের ভুল', প্রতিক্রিয়া আর জি কর হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্য অতীন ঘোষের।