কলকাতা: একদিকে আজ মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের দিন। অপরদিকে আজ কলকাতায় 'সংহতি দিবস' পালন তৃণমূলের ।  সম্প্রীতি দিবসে ইতিমধ্যেই ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, 'আমরা বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার, কিন্তু উৎসব সবার।'

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'রাজ্য সরকারের টাকায় আমি মসজিদ করব না, পবিত্রতা নষ্ট হবে..', শিলান্য়াসের আগেই ঝাঁঝালো মন্তব্য হুমায়ুনের

Continues below advertisement

মুখ্যমন্ত্রী এদিন পোস্টে লেখেন, 'একতাই শক্তি, বাংলার মাটি একতার মাটি। এই মাটি রবীন্দ্রনাথের মাটি, নজরুলের মাটি, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের মাটি। এই মাটি কখনো বিভেদের কাছে মাথা নত করেনি,আগামীদিনেও করবে না। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, জৈন, বৌদ্ধ, বাংলায় সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে জানি। আনন্দ আমরা ভাগ করে নিই। আমরা বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার, কিন্তু উৎসব সবার, সম্প্রীতি দিবসে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর।তিনি আরও বলেন, যারা সাম্প্রদায়িকতার আগুন জ্বালিয়ে, দেশকে ধ্বংস করার খেলায় মেতেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে। 

অপরদিকে, এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজকে যারা হিন্দু-মুসলিমের বিভাজন তৈরি করে, ভারতবর্ষের রাজনীতিতে টিকে থাকতে চাইছে, সেই নরেন্দ্র মোদির দল, বিজেপির দল আজকে গোটা ভারতবর্ষকে হিন্দু মসুলমান, এবং অন্যান্য ধর্মের মধ্যে ভাগ করে দিতে চাইছে।'

প্রসঙ্গত, এদিন মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেন ভরতপুরের সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। রেজিনগরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করেছেন তিনি। তিনি বলেন, '২০১১ সালে ৬৭ জন সংখ্যালঘু বিধায়ক ছিলেন, ২০১৬-তে কমিয়ে করলেন ৫৭। ২০২১-এ সেটাও নামিয়ে আনলেন ৪৪ জনে।'

পাশাপাশি হুমায়ুন আরও বলেন, শুধুমাত্র তিন কাঠা জায়গার উপরে, এত বিরোধিতা সত্ত্বেও আমরা আজকে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করছি। ২৫ বিঘা জায়গার মধ্যে, হাসপাতাল হবে, বিশ্ব বিদ্যালয় হবে, পার্ক হবে। পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে যত কোটি টাকা খরচ হয়, মুর্শিদাবাদ সহ মালদা, উত্তর দিনাজপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর, প্রচুর মানুষ আর্থিক সহযোগিতা করবেন।..রাজ্য সরকারের টাকায় আমি মসজিদ করব না। তাতে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হবে। এটা আমি কোনওমতেই গ্রহণ করব না।'

অপরদিকে, এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজকে যারা হিন্দু-মুসলিমের বিভাজন তৈরি করে, ভারতবর্ষের রাজনীতিতে টিকে থাকতে চাইছে, সেই নরেন্দ্র মোদির দল, বিজেপির দল আজকে গোটা ভারতবর্ষকে হিন্দু মসুলমান, এবং অন্যান্য ধর্মের মধ্যে ভাগ করে দিতে চাইছে।'