হাওড়া: আজ হাওড়া জেলার (Howrah District) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Minimum Temperature) ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Highest Temperature) ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে বাতাসের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় ১৩ কিলোমিটার। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭৭ শতাংশ। আজ সারাদিন হাওড়ায় থাকবে মেঘলা আকাশ। মেঘের পরিমাণ বাড়তে পারে। তার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ হাওড়ায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৬টা ০৩ মিনিটে।

আগামীকাল অর্থাৎ সোমবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে (Weather Forecast) জানানো হয়েছে, আকাশে মেঘের পরিমাণ বাড়তে পারে। সকালের দিকে বৃষ্টিপাত হলেও পরের গোটা দিন রোদ ভালই থাকবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকতে পারে ৭৪ শতাংশ। দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। কাল সকালে হাওড়ায় সূর্যোদয় হবে ৫টা ১৬ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৬টা ০৩ মিনিটে।

পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা হল হাওড়া। এই জেলায় দু’টি মহকুমা, হাওড়া সদর ও উলুবেড়িয়া। কলকাতার পাশের শহর হল হাওড়া। দুই শহরের মাঝে গঙ্গা। হাওড়া জেলার পূর্বে কলকাতা, উত্তরে হুগলি জেলা, দক্ষিণ দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিমে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। প্রাচীন জনবসতি হাওড়া শহরের ইতিহাস সুপ্রাচীন। একসময় বাণিজ্য নগরী হিসেবে পরিচিত ছিল হাওড়া। পরে এই শহর শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee : ‘দুর্নীতিতে জড়িতদের থেকে টাকা উদ্ধার করতে হবে’, পঞ্চায়েত ভোটের আগে প্রশাসনকে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

হাওড়ার অন্তম আকর্ষণ হল বেলুড় মঠ, শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন, যা এখন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ভারতীয় উদ্ভিদ উদ্যান হিসেবে পরিচিত। এছাড়া হাওড়া ব্রিজ, হাওড়া স্টেশন দ্বিতীয় হুগলি সেতু, সাঁতরাগাছি ঝিলও হাওড়ার আকর্ষণ। হাওড়া জেলার প্রধান নদী গঙ্গা। এছাড়া রূপনারায়ণও হাওড়ার গ্রামীণ অঞ্চলের অন্যতম প্রধান নদী।

কলকাতার পাশের শহর হওয়ায় হাওড়ায় গঙ্গার ওপারের আবহাওয়ার প্রভাব পড়ে। আবার এই জেলার গ্রামীণ অঞ্চলে হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের আবহাওয়ার প্রভাব পড়ে।

অন্যদিকে নিম্নচাপ ঝাড়খণ্ড ও ছত্তীসগঢ়ের দিকে সরে গেলেও তার প্রভাব আজও ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতায় আবহাওয়ার উন্নতি হয়েছে। কমেছে বৃষ্টি। অতি গভীর নিম্নচাপ গতকাল রাতেই দিঘার কাছে স্থলভাগে প্রবেশ করে দুর্বল হয়ে ওড়িশা থেকে ঝাড়খণ্ডের দিকে সরছে। এর প্রভাবে শনিবারও রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হয়েছে।