কলকাতা: শপথ নিয়েই নতুন রাজ্যপালের বাংলায় পোস্ট। 'মহান বাংলার সেবা করতে যেন শক্তি দেন মা দুর্গা। মা দুর্গা যেন আমাকে জ্ঞান-শক্তি দেন। যাতে নিষ্ঠার সঙ্গে মানুষের সেবা করতে পারি', শপথ নিয়েই বাংলায় পোস্ট নতুন রাজ্যপালের। রাজ্যপালের পোস্টে শ্রী রামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, চৈতন্য মহাপ্রভু। রাজ্যপালের পোস্টে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ঋষি অরবিন্দ। কবিগুরু, নেতাজির সঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির উল্লেখ। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ঘূর্ণাবর্তের জেরে এবার হলুদ সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে ! ৩০-৪০ কিমি বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া, পড়বে বাজ, রাতের দিকে বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতায়

Continues below advertisement

রাজ্যপাল জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সেবা করার সুযোগ পেয়ে তিনি ধন্য হয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, এই মাটিই ভারতের কয়েক হাজার বছর ধরে ভারতের আধ্যাত্মিক, বুদ্ধিমত্তা, সাংস্কৃতিক ক্যাপিটাল। এটাই সেই মাটি যেখানে, বেদ প্রস্ফুটিত হয়েছিল। যেখানে গৌতম বৌদ্ধর শিক্ষা নবরূপে সামনে এসেছিল। এবং স্বাধীনতা আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিয়েছিল।..' উল্লেখ্য, এদিন সন্ধ্যায়  কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল।

বিধানসভা ভোটের মুখে আচমকাই রাজ্য়পালের পদ থেকে পদত্য়াগ করলেন সি ভি আনন্দ বোস! তাঁর জায়গায় পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্য়পাল করা হল R N রবি-কে! তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্য়পাল ছিলেন। সেখান থেকে সরিয়ে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গে পাঠাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ১৯৭৬ সালের কেরল ক্য়াডারের IPS অফিসার ছিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। দীর্ঘদিন CBI-এ ছিলেন। তারপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। অবসর নেওয়ার পর ২০১৪ সালে তাঁকে জয়েন্ট ইনটেলিজেন্স কমিটির চেয়ারম্য়ান করা হয়।

২০১৮ সালে ডেপুটি ন্য়াশনাল সিকিওরিটি অ্য়াডভাইসার পদে তাঁকে নিয়োগ করে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০১৯ সালে তাঁকে নাগাল্য়ান্ডের রাজ্য়পাল পদে নিয়োগ করে মোদি সরকার। ২০২১ সালে তামিলনাড়ুর রাজ্য়পাল হন তিনি। ইন্ডিয়া জোটের সদস্য় দল ডিএমকে ও কংগ্রেসের জোট তামিলনাড়ুতে। সরকার চালায়। পদে পদে তাদের জোট সরকারের সঙ্গে সংঘাত বেঁধেছে রবির। একাধিকবার রাজ্য় সরকারের লিখিত ভাষণ পড়তে অস্বীকার করেছেন রবি।পাল্টা ২০২৩ সাল থেকে স্বাধীনতা দিবসে রাজভবনের চা চক্র বয়কট শুরু করে স্টালিন সরকার।