সঞ্চয়ন মিত্র, কলকাতা: গরম থেকে এখনই নেই মুক্তি, ৫ জেলায় প্রবল তাপপ্রবাহের (Heat Wave) সতর্কতা। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায় প্রবল তাপপ্রবাহের সতর্কতা। কলকাতা ছাড়া শনিবার রাজ্যের একাংশে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। 

তাপপ্রবাহের সতর্কতা: এখনই কালবৈশাখী বা ঝেঁপে বৃষ্টির মতো আশার আলো দেখাতে পাচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা। উপকূলের জেলা সহ তিন চার জেলায় ছিটেফোঁটা হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকতে পারে সপ্তাহের শেষে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা রয়েছে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। গরমে হাঁসফাঁস দশা থেকে কবে মিলবে মুক্তি? নামবে স্বস্তির বৃষ্টি? ঘূর্ণির মতো পাক খাচ্ছে প্রশ্ন। কলকাতায় গতকালই ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়েছে পারদ। বেলা বাড়লে লু বইছে। আজ সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। প্রবল তাপপ্রবাহ হতে পারে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে। তীব্র গরম থেকে এখনই মুক্তি নেই কলকাতার। আপাতত চার দিন বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে পাঁচ ডিগ্রি পর্যন্ত বেশি থাকবে।                                                               

এক ঝলকে দেখে নিন কলকাতার তাপমাত্রা আগামী কয়েকদিন কেমন থাকবে :

7 Day's Forecast
DateMin TempMax TempWeather
18-Apr29.040.0
Heat Wave
19-Apr29.040.0
Heat Wave
20-Apr29.040.0
Heat Wave
21-Apr29.040.0
Heat Wave
22-Apr29.039.0
Mainly Clear sky
23-Apr29.039.0
Partly cloudy sky
24-Apr28.039.0
Partly cloudy sky

বৃষ্টির পূর্বাভাস: এর মধ্যেই সুখবর শোনাল আবহাওয়া দফতর। শনিবার থেকে রাজ্যে হাওয়া বদল হবে। গরম কিছুটা কমার সম্ভাবনা। কমবে তাপপ্রবাহও। শনিবারের পর থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গে পাহাড়ের কাছাকাছি এলাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাস। সপ্তাহান্তে উপকূলবর্তী জেলা ছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের ৩-৪টি জেলায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও পারদ ৪০ ডিগ্রির ঘরে। তবে ওপরের পাঁচ জেলায় আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। বৃহস্পতি-শনিবারের মধ্যে দার্জিলিং,কালিম্পং-সহ পার্বত্য এলাকা সংলগ্ন জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু’-এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।                 

আরও পড়ুন: Kolkata News: হাঁসফাঁস গরমের মধ্যেই লোডশেডিং শহরের নানা প্রান্তে, নাজেহাল স্থানীয়রা