কলকাতা: মানুষ যেন দিন গুনছিলেন, এই সোমবারের জন্য। ২০২৬-এ বঙ্গের কুর্শিতে কে, সেই উত্তর জানা যাবে আজই। এবার পশ্চিমবঙ্গে ২ দফায় ভোট হয়েছে। নজিরবিহীনভাবেই মানুষ এবার ভোটে অংশগ্রহণ করেছেন। কার্যত রেকর্ড ভোট পড়েছে এই রাজ্যে। ২০১১ সালের ভোটদানের হারকেও পার করে দিয়েছে, ২০২৬ সাল। ২০১১ সালেই সিপিএম সরকারের পতন ও তৃণমূলের হাতে আসে বাংলার ক্ষমতা। এবারের নির্বাচনে আরও একটা উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বিক্ষিপ্তভাবে অশান্তির খবর সামনে আসলেও, এবারের ভোটে চূড়ান্ত অশান্তি, প্রাণহানির মতো দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেনি। সেই কারণেই মনে করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচন তুলনামূলকভাবে অনেকটাই স্বচ্ছ হয়েছে। মানুষ ভোটকেন্দ্রে এসে, ইভিএম-এ নিজের মতামত জানাতে পেরেছেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৭৭টি কেন্দ্রে একসঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটগণনা। এবার ফলাফল জানার পালা।
অর্জুনের বিস্ফোরক অভিযোগ!
নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংহ অভিযোগ করেছেন, প্রার্থীকে বাইরে লাইনে দাঁড় করিয়ে স্ট্রং রুমের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। গতকাল থেকেই বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এনেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, বিজেপির এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আর আজ তিনি অভিযোগ করছেন, তিনি যখন কাউন্টিং সেন্টারে ঢোকার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তখনই ঘোষণা করা হচ্ছে যে স্ট্রং রুমের দরজা খুলে দেওয়া হচ্ছে। অর্জুন সিংহ এদিন বলেন, 'এখনও প্রার্থী পৌঁছয়নি, আর ঘোষণা করা হচ্ছে যে স্ট্রং রুম খোলা হচ্ছে! দালালদের বসিয়ে রেখেছে। এখনও সার্চিং চলছে, এতক্ষণে নিশ্চয়ই স্ট্র রুম খুলে দিয়েছে। গণনায় কারচুপির পরিকল্পনা রয়েছে, তাই এইসব করছে। ভয় পেয়েছে বলেই এইরকম করছে। প্রার্থীকে লাইনে দাঁড় করিয়ে বলা হচ্ছে, তাড়াতাড়ি আসুন।'
অর্জুন সিংহের বিরুদ্ধেও পাল্টা অভিযোগ!
পাল্টা তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হচ্ছে যে, কাউন্টিং সেন্টারে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকার চেষ্টা করেছেন অর্জুন সিংহ। বিজেপির এজেন্টদের নাকি কোনও চেকিংই করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এই অভিযোগ প্রকাশ্যে এনেছেন যে, কৃষ্ণনগরেও সিসি ক্যামেরা বন্ধ রয়েছে।
