কলকাতা: বিধানসভা ভোটের আগে দমদমে ব্রাত্য় বসুর ভাইরাল ভিডিও। 'কর্মীরা এখানে ছত্রভঙ্গ হয়ে আছেন, কর্মীরা বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন। দল অনেকগুলো গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে, আমি আমার ভোটে গোষ্ঠীবাজি মানব না। ভোটের শেষে প্রতিটা বুথে কী রেজাল্ট হয়েছে দেখে দলনেত্রীকে চিঠি লিখব। চিঠি লিখে জানাব ২০২৭-এ এখান থেকে কাকে পুর প্রতিনিধি করা যেতে পারে', দমদমের কর্মিসভায় দাঁড়িয়ে ব্রাত্য় বসুর বক্তব্য ভাইরাল।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, রাহুলের অপেক্ষায় শববাহী শকট, কখন ফিরবে কলকাতায় ?

Continues below advertisement

ব্রাত্য বসু এবিপি আনন্দ-কে জানিয়েছেন, 'এটা আমার দলীয় কর্মীসভা। দক্ষিণ দমদমের ৩ ওয়ার্ডের কর্মীসভা, যে ওয়ার্ডে কোনও কাউন্সিলর নেই। ফলে ওয়ার্ডটা একটু ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন। ওই ওয়ার্ড আমি তাই কর্মীসভা করেছি। কর্মীদের একত্রিত করার জন্য কথা বলেছি। ঘরের মধ্যে কর্মীসভায় কী বলেছি, কেন বলেছি, তার আর অতবেশি ব্যাখ্যা আমি দিতে পারব না। যেটা ভাল মনে হয়েছে বলেছি। '

প্রসঙ্গত, আগামী ৫ বছরের জন্য কার দখলে থাকবে পশ্চিমবঙ্গ?তার জন্য ভোটের লড়াইয়ে যে যার মতো ঘুঁটি সাজাচ্ছে তৃণমূল-বিজেপি। এই আবহেই ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে, ২০২১-এর ভোটের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২০২১-এর ১০ মার্চ, নন্দীগ্রামে পায়ে চোট পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণে ওই বছর বিধানসভা নির্বাচনে হুইলচেয়ারে বসে প্রচার সারেন তৃণমূল নেত্রী।শনিবার সেই প্রসঙ্গ তুলে তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে 'ভিক্টিম কার্ডের' রাজনীতির অভিযোগ তোলেন অমিত শাহ। রবিবার মানবাজারের সভা থেকে যার পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বললেন, মমতা দিদি সবসময় ভিক্টিম কার্ডের রাজনীতি করেন।  কখনও পা ভেঙে ফেলেন। কখনও মাথায় ব্য়ান্ডেজ করান। কখনও অসুস্থ হয়ে পড়েন। কখনও নির্বাচন কমিশনের সামনে বেচারা সেজে, নির্বাচন কমিশনকে গালিগালাজ করেন। কিন্তু মমতা দিদি আমি আপনাকে বলতে এসেছি যে, আপনার এই রাজনীতি, ভিক্টিম কার্ডের রাজনীতি বাংলার জনগণ এখন ভাল  

 তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, ওরে অপদার্থ, আমি তো মৃত্যুর মুখ থেকে অনেকবার লড়াই করতে করতে বেরিয়ে এসেছি। যাও না ডাক্তারের রিপোর্টগুলো নাও না হাসপাতালে গিয়ে।  তোমরা আগের বার নির্বাচনে ইচ্ছা করে আমার পায়ে চোট করে দিয়েছিলে। আমি প্লাস্টার করেও পায়ে হুইলচেয়ারে ঘুরে বেরিয়েছিলাম। তার কারণ, আমার মনে জোর ছিল আমাকে মানুষের কাছে যেতে হবে।  শুধু অমিত শাহকে জবাব দেওয়াই নয়, এদিন আরও বড় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।