কলকাতা: পশ্চিমঙ্গে তৃণমূলকে উড়িয়ে দিয়ে, দু'শো পার করল বিজেপি। হোমগ্রাউন্ড ভবানীপুরেই, স্বয়ং মমতা বন্দোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সুজিত বসু থেকে ব্রাত্য বসু, শশী পাঁজা, উদয়ন গুহ থেকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য - হারলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার এক ডজনেরও বেশি সদস্য।  

মন্ত্রী থেকে প্রতিমন্ত্রী...কার্যত পর্যদস্তু হলেন অনেকেই। মঙ্গলবার কালীঘাট থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'ভোটে জেতার পর থেকে বিজেপি অত্যাচার শুরু করেছে। ক্ষমতায় আসার পরে বলেছিলাম, বদলা নয়, বদল চাই। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এবার গুন্ডাবাহিনী বলে আক্রমণে মমতা। বিজেপি-কমিশন আঁতাঁত করে ভোট লুঠ করেছে', ভোটে হেরে এবার মমতার মুখে বিরোধী ঐক্য মজবুত করার বার্তা।                                                                                                             

আরও পড়ুন, হেরে গেলেন মমতা, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার, IPAC-এর উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাই কি এই ফলের জন্ম দিল?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এও বলেন, 'ওঁরা এখনই আমাদের দলের সবার সঙ্গে অত্যাচার করা শুরু করেছে। তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরও অত্যাচার শুরু হয়েছে। বিজেপি ভাবছে চাপ তৈরি করে দলে টানবে সবাইকে। কিন্তু সবাই মাথা নত করে না। যদিও মারাত্মক চাপ তৈরি করছে অনেকের উপর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য। আমি কিছু মনে করছি না। ওঁরা ওদের সুরক্ষার জন্য যোগ হয়তো দিতে পারে। কাল গেলে ভবিষ্যতে ফিরেও আসতে পারে'।

এদিকে, রাজ্যজুড়ে গেরুয়া ঝড়ের মধ্যেই নজিরবিহীনভাবে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হল নবান্নের। ঢোকা-বেরনোর পথে মোতায়েন করা হল কেন্দ্রীয় বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ফাইল নবান্ন থেকে বাইরে যাওয়া আটকাতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হল নবান্নকে। কেউ যাতে গুরুত্বপূর্ণ নথি, ফাইল সরাতে বা নষ্ট করতে না পারেন, তার জন্য সমস্ত বিভাগীয় সচিবের কাছে নির্দেশিকা গেল মুখ্যসচিবের দফতর থেকে।