কলকাতা : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০০ র বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন ভবানীপুরে। পিছিয়ে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আবার নন্দীগ্রামে এগিয়ে আছেন শুভেন্দু। যদিও এই ট্রেন্ড একেবারেই প্রাথমিক স্তরের । হয়ত কেউ এগিয়ে যাবেন, কেউ পিছিয়ে যাবেন। তবে তবে আপাতত সকাল ১০ টার ট্রেন্ড এটি।
শেষ দফার ভোটে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভবানীপুর। সকাল থেকেই একাধিক বুথে উত্তেজনা ছড়ায়, তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে স্লোগান-যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করে তোলে।
কালীঘাটে শুভেন্দু ঢুকতেই উত্তেজনা
ভোটের দিন কালীঘাট এলাকায় প্রবেশ করতেই উত্তেজনা ছড়ায় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে। তাঁকে লক্ষ্য করে তৃণমূল সমর্থকদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শোনা যায়। পাল্টা বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাও ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। দুই পক্ষের এই স্লোগান-যুদ্ধ দ্রুত পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে।
বুথের সামনে বিক্ষোভ, লাঠিচার্জ পুলিশের
একাধিক বুথের সামনে ভিড় বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করতে হয় পুলিশকে। ভিড় সরাতে লাঠিচার্জের ঘটনাও ঘটে বলে জানা গিয়েছে। এতে কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় উত্তেজনা তৈরি হয়।
সকাল থেকে বুথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
অন্যদিকে সকাল থেকেই ভবানীপুরের বিভিন্ন বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হন। অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং তৃণমূল সমর্থকদের টার্গেট করা হচ্ছে।
মুখোমুখি মমতা-শুভেন্দু
বুথ পরিদর্শনের সময় এক পর্যায়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে দিয়েই ঘুরে যান শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ভবানীপুরে “টেররিজম চলছে” এবং বেছে বেছে তৃণমূল কর্মীদের টার্গেট করা হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভোটের দিন ভবানীপুরের এই ঘটনাবলি স্পষ্ট করে দেয়, শেষ দফার নির্বাচনে উত্তেজনার পারদ কতটা চড়েছিল। এখন নজর ভোট গণনার দিকে— শেষ পর্যন্ত ফলাফলে কী প্রতিফলন দেখা যায়, সেটাই দেখার।
আরও পড়ুন : ২৯৩টি বিধানসভা আসনের ভোট গণনা আজ, কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে ? লেটেস্ট আপডেট
আরও পড়ুন : 'আমায় ভুল বুঝ না' ভোট গণনার আগেই কেমন এমন বার্তা বিজেপি প্রার্থী 'অভয়ার মা'-র?
