রায়পুর: টম ভাডাক্কানের দলত্যাগ, বিজেপিতে যোগদানকে গুরুত্বই দিচ্ছেন না রাহুল গাঁধী। আজ ওড়িশা রওনা হওয়ার আগে এখানে রায়পুর বিমানবন্দরে কংগ্রেস সভাপতি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ভাডাক্কান? ভাডাক্কান বড় নেতা নন। গতকালই কংগ্রেস ও গাঁধী পরিবারকে বিড়ম্বনায় ফেলে শিবির বদলে কেন্দ্রের শাসক শিবিরে যোগ দেন ভাডাক্কান, প্রায়ই যাঁকে এক সময় কংগ্রেসের মুখপাত্র হিসাবে টিভি চ্যানেলের বিতর্কে দেখা যেত। গতকাল বিজেপিতে যোগ দিয়েই বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান হামলা নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থানের তীব্র নিন্দা করেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সনিয়া গাঁধীর এককালের প্রধান সহযোগীদের একজন ভাডাক্কান। তিনি অনেক দুঃখে দল ছেড়েছেন বলে মন্তব্য করে বলেন, জাতীয় স্বার্থের ক্ষতি মানতে পারছেন না। যে দলই দেশের স্বার্থ রক্ষা করে না, সেই দল ছেড়ে বেরিয়ে না এসে আর উপায় থাকে না। লোকসভা ভোটের মুখে ভাডাক্কানের পদক্ষেপ কংগ্রেসের কাছে বিরাট ধাক্কা, এহেন জল্পনার মধ্যেই আজ ওই মন্তব্য করলেন রাহুল। বেকারি, কৃষকদের সঙ্কট, ফ্রান্সের সঙ্গে রাফাল যুদ্ধবিমান ডিলে দুর্নীতির অভিযোগেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র আক্রমণ করেন রাহুল। বলেন, দেশে তিনটি ইস্যু আছে। সবচেয়ে বড় বেকারি। মোদি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ। আরেকটি ইস্যু দুর্নীতি। রাফালের কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন। প্রধানমন্ত্রী শিল্পপতি অনিল অম্বানির পকেটে ৩০ হাজার কোটি টাকা ঢুকিয়েছেন। তিন নম্বর ইস্যু কৃষকরা। আমরা ছত্তিশগড়ে সরকার গঠনের দুদিনের মধ্যেই চাষিদের ঋণ মকুব করেছি, আর নরেন্দ্র মোদি ৫ বছর ধরে শুধু চাষিদের কথা মুখেই বলে যাচ্ছেন। চাষিরা ফসল বিমা বাবদ যে টাকা দিয়েছেন, মোদি তা অনিল অম্বানির মতো লোকজনকে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন রাহুল।