কলকাতা: সকাল সকাল ভবানীপুরে বুথ পরিদর্শনে এসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। দিকে দিকে প্রচুর তৃণমূল কর্মীকে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার ভবানীপুরেই ভোটের শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন তৃণমূলের সেকেণ্ড ইন কমান্ড। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় এদিন বলেন, 'প্রথম দফায় বিজেপি কুপোকাত হয়ে গিয়েছে। এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ করছে। অবজার্ভাররা নির্বাচন কমিশনের চোখ ও কান হিসেবে কাজ করবে। এরপর রিপোর্ট দেবে এসপিকে ও নির্বাচন কমিশনকে। এরপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা যে কি করা উচিৎ। কিন্তু তৃণমূলের যাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কেস নেই, তাঁদের আটক করা হচ্ছে অন্যায়ভাবে।'

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: শান্তিপুরে উত্তেজনা! বিজেপির ক্যাম্প অফিস ভেঙে চুরমার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, 'কিছু কিছু জায়গায় ইভিএম খারাপের খবর পাচ্ছি আমরা। সেন্ট্রাল অফিসারের সঙ্গে কথা বলছি। দ্রুত সবকিছুর নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। আমি মানুষকে বলব আপনারা নির্ভয় মাথায় উঁচু করে ভোট দিন। বাংলার মানুষের সঙ্গে ভয় দেখানোর রাজনীতি করা হচ্ছে। কিছু গুন্ডা পাঠানো হয়েছে উত্তরপ্রদেশ থেকে। বাংলার মানুষকে বিজেপির গুন্ডারা ভয় দেখাতে চাইছে। মানুষ যেন শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দেয়, এটাই চাইব। বাংলার প্রতি যে বঞ্চনা হয়েছে, যেভাবে অপমানিত করা হয়েছে। আমাদের রোহিঙ্গা বলে আক্রমণ করা হয়েছে। তার বদলা নিতেই হবে বাংলার মানুষকে।'

Continues below advertisement

এদিকে, এদিন সকাল সকাল প্রথমে চেতলা হয়ে বিভিন্ন বুথ পরিদর্শনে যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তৃণমূল সুপ্রিমোও কমিশনের প্রতি তোপ দেগে জানিয়েছেন, 'আমরা আদালত অবমাননার নোটিস দিয়েছি। তা সত্ত্বেও কিছু অবজার্ভার এসেছে বাইরে থেকে। বিজেপি যা বলছে তাই করছে। চক্রবেড়িয়ায় গিয়ে দেখে এসো আমাদের সব পোস্টার খুলে দিয়েছে। এভাবে ভোট হয়? ভোট তো মানুষ দেবেন, পুলিশও নয়, সিকিওরিটিও নয়। আর কয়েকজনকে নতুন এনেছে। তারা যা ইচ্ছে করছে। এলাকায় সন্ত্রাস করছে।" তিনি আরও বলেন, 'ভোটটা একটা মানুষের অধিকা রক্ষার প্রশ্ন। এখনও আমি চাই ভোটটা শান্তিতে হোক। মানুষের অধিকার প্রয়োগ করতে দেওয়া হোক। কিন্তু অনেক পুলিশ অফিসার আনা হয়েছে, যাঁরা বাংলাকে বোঝে না। গতকাল রাতে অত্য়াচার করেছে বাংলা জুড়ে। থানায় গিয়ে গিয়ে অবজার্ভাররা চাপ দিচ্ছে যে সব তৃণমূল এজেন্টদের গ্রেফতার করো। রাত একটার সময় রাজ্য পুলিশ ছাড়াই সিআরপিএফের ফোর্স আক্রমণ করেছে কাউন্সিলরের বাড়িতে।'