কলকাতা:তৃণমূল-বিজেপি দ্বৈরথে বরানগরে চড়ছে পারদ। এদিন বরানগরে সৌগতকে নিয়ে প্রচারে নামলেন তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা। আর গতকালের প্রসঙ্গ টেনে তোপ দাগলেন বরানগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ভোটের মুখে দলবদল, কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ! তৃণমূলে যোগদান একাধিক নেতা-নেত্রীর

Continues below advertisement

এদিন সজল ঘোষ জানিয়েছেন, 'কবে কোথায় কী কারণে হয়েছে,...ওনার কথা আমি শুনছিলাম। আমার কথা উনি শুনতে পাচ্ছেন কিনা, আমি জানি না। উনি বললেন আমার পায়ের তলায় মাটি নেই। ওখানকার পূর্বতন বিধায়ক ছিলেন, তাপস রায়। একুশ সাল, তখন বিজেপির সরকার প্রায় তৈরিই হয়ে গিয়েছিল। তখন তাপস রায় পেয়েছিলেন ৩৫ হাজার ভোট, সে তুলনায় অনেক...চব্বিশের লোকসভার সঙ্গে আমি বাই ইলেকশন লড়েছিলাম। সেখানে উনি জিতেছিলেন ৮ হাজার ভোটে। উনি পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার এবং আমি পেয়েছিলাম ৬১ হাজার। ৬৯ হাজার কেউ জয়ী হতে পারে, আর ৬১ হাজারে পায়ের তলায় মাটি নেই, ..কী উত্তর দেব ?! আমাকে হারিয়েছেন, বিজেপিকে হারিয়েছেন যিনি, তাঁর নাম তন্ময় ভট্টাচার্য। উনি হারাতে পারেননি। ..আর যিনি বলছিলেন, এবার তিনি হারবেন। এর বাইরে কিছু বলতে চাই না।'তিনি আরও বলেন,' গতকালের ঘটনাটা....আমাদের হোর্ডিং খুলে ফেলে দিয়ে, নিজেরা হোর্ডিং লাগাবে, তাহলে সেখানে প্রতিবাদ হবে না। আমরা তাও থানাকে জানিয়েছিলাম। পুলিশ আসার বদলে যদি কাউন্সিলর তার দলবল নিয়ে চলে আসে, যদি সেখানে আমাদের শক্তি থাকে, তাহলে প্রতিরোধ হবে। হয়েছে কালকে একটু হালকা। মানে হালকা ডোজে কাজ হয়ে গেছে।এই সমস্ত কথা ওনাকে বলতে বারণ করি।' 

শনিবারের পর রবিবার ফের উত্তেজনা ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার বরানগরে। বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের প্রচার চলাকালীন, বরানগরের ব্যানার্জি পাড়ার কাছে শুরু হয় গন্ডগোল। দুই পক্ষের স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। অন্যদিকে, ভোটপ্রচারে নামেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। শনিবারের ঘটনাস্থলের পাশ দিয়েও মিছিল করেন তিনি। শনিবারের ধুন্ধুমার পরিস্থিতির ২৪ ঘণ্টাও কাটতে না কাটতে ফের উত্তেজনা ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার বরানগরে। বিজেপি কর্মী বলেন, প্রার্থীর উদ্দেশে রীতিমতো গালমন্দ করছে। গতকালের জন্য তারা(তৃণমূল) নিজেরাই দায়ী, অথচ তারা(তৃণমূল) নিজেরাই গালমন্দ করছে। সুকান্ত মজুমদার আছে, তাপস রায় আছে। তার সামনে তারা(তৃণমূল) গালাগাল করছে। তৃণমূল কর্মীর দাবি, আমরা কারোর গায়ে হাত দিচ্ছি না।  আমরা ফ্ল্যাগ নিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি। আমাদেরকে দেখে 'জয় শ্রী রাম' বেরোচ্ছে।  বলছি 'জয় বাংলা' এবং তারা আমাদেরকে তেড়ে আসছে, মারতে আসছে। দেখুন কী অবস্থা। আমরা কাউকে কিছু করিনি।