মুর্শিদাবাদ: স্ট্রং রুমে ক্যামেরা খারাপের অভিযোগ, অফিসারদের হুমকি বায়রন বিশ্বাসের। স্ট্রং রুমের সামনে গিয়ে অফিসারদের হুমকি ঘিরে তোলপাড়। জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রং রুমের সামনে সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী । 

Continues below advertisement

মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে ক্যামেরা দফায় দফায় বন্ধের অভিযোগ তোলা হয়। খবর পেয়ে ভোররাতে এলাকায় সাগরদিঘি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। স্ট্রং রুমে সিসিটিভি এবং বাইরের ক্যামেরা বন্ধ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ বায়রনের।                                                              রাতে অনেকক্ষণ আলো বন্ধ ছিল, তৃণমূল প্রার্থীকে হারাতে চক্রান্ত চলছে, অভিযোগ তৃণমূল প্রার্থীর। এ নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি বিজেপির। স্ট্রং রুমের দায়িত্বরত অফিসারদের ভূমিকা নিয়েও ক্ষুব্ধ বায়রন বিশ্বাস। বায়রনের অভিযোগ নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি নির্বাচন কমিশনের।                                                                                              

কী বলেছেন বায়রন? 

Continues below advertisement

একটি ভিডিওতে বায়রনকে বলতে শোনা যায়, 'পা এগিয়ে আনুন, পা ধরছি আপনার, আপনি রাজ্য সরকারের লোক না সেন্ট্রালের লোক।' এরপর গোট খোলার হুমকি তৃণমূল প্রার্থীর। তিনি এও বলেন, 'আপনার চাকরি চলে যাবে, বাংলায় থাকতে পারবেন না, দিল্লিতে থাকতে হবে'। 

অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরে, স্ট্রং রুম নিয়ে বচসায় জড়াল তৃণমূল-বিজেপি। শুরু হল দুই পক্ষের স্লোগান-যুদ্ধে। একদিকে বিজেপির অভিযোগ, গতকাল রাতে স্কুটার নিয়ে মেদিনীপুর কলেজের স্ট্রং রুমে ঢুকে যাচ্ছিলেন এক তৃণমূল কর্মী। নাম সোমনাথ রায়। সেই নিয়ে প্রবল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে তৃণমূলেরও কর্মী-সমর্থকেরা। তাদের দাবি, আইকার্ড নিয়েই স্ট্রং-রুমে ঢুকেছিলেন ওই তৃণমূল কর্মী। পাল্টা বিজেপির বিরুদ্ধে স্ট্রং রুমের বাইরে চেয়ার পেতে জমায়েতের অভিযোগ তোলে তৃণমূল। এই নিয়েই বচসায় জড়ায় দুই পক্ষ। পরে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ।