রুমা পাল, কলকাতা:রাজ্যের অন্যতম হেভিওয়েট কেন্দ্র ভবানীপুরে ৫১ হাজারেরও উপর নাম বাদ গিয়েছে। মূলত ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে নন্দীগ্রামে সংখ্যাটা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যেখানে শুভেন্দুর বিপরীতে, সদ্য বিজেপি থেকে ছেড়ে আসা পবিত্র করকে ভোটে প্রার্থী পদে দাঁড় করিয়েছে তৃণমূল। সবমিলিয়ে বাংলার এই দুই কেন্দ্রের উপরে নজর সব রাজনৈতিক দলেরই। এদিকে দুই হাইভোল্টেজ কেন্দ্রেই নাম বাদের পাল্লা বেশ ভারী।
মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুরে নাম বাদ গিয়েছে ৫১ হাজারের উপরে
জানা গিয়েছে ভবানীপুরে, খসড়া তালিকাতে নাম বাদ যায় ৪৪ হাজার ৭৭০জনের। চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ যায় ২ হাজার ৩৪২জনের। বিচারাধীনের তালিকায় বাদ হয় আরও ৩ হাজার ৮৯৩জন। সবমিলিয়ে ভবানীপুরে মোট নাম বাদ যাচ্ছে ৫১ হাজার ৫ জনের। নন্দীগ্রামে খসড়া তালিকাতেই বাদ ১০ হাজার ৬০৪। চূড়ান্ত তালিকায় ৩৯৭জনের নাম ডিলিট। বিচারাধীনের তালিকা বাদ আরও ৩ হাজার ৪৬১জন। নন্দীগ্রামে মোট ১৪ হাজার ৪৬২জনের নাম বাদ যাচ্ছে।
৫ বছর আগে যে চমৎকার নন্দীগ্রাম করেছিল, এবার সেই এক হাল ভবানীপুরেও হতে চলেছে : মোদি
হলদিয়ার সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেনএটা পরিবর্তনের ঝড়। এটা তৃণমূলের নির্মম সরকারের যাওয়ার বার্তা। মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ৫ বছর আগে পরিবর্তনের রাস্তা দেখিয়েছিল। এবার পুরো পশ্চিমবঙ্গ সেই পরিবর্তনের রাস্তায় হাঁটছে। ৫ বছর আগে যে চমৎকার নন্দীগ্রাম করেছিল, এবার সেই এক হাল ভবানীপুরেও হতে চলেছে, পুরো বাংলায় হতে চলেছে।' পাল্টা মমতা বলেন, চুরি করে জিতেছিল আগের বার। বলছে ভবানীপুরেও জিতব। বলি ঘেঁচু জিতবে। তোমাদের দেওয়ার জন্য মানুষ তৈরি আছে। ভাবছ বহিরাগতদের ভোটে জিতবে! বাইরে থেকে লোক এনে জিতবে! টাকা খরচ করে জিতবে।
"তৃণমূলের সিন্ডিকেট.."
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মোদি বলেন,' তৃণমূলের সিন্ডিকেট অনুপ্রবেশকারীদের জাল সরকারি নথিপত্র দেয়। অনুপ্রবেশকারীদের যে চাঁই আছে, তাকেও জেলে পাঠানো হবে।' মমতা এই ইস্যুতে বলেন, সীমান্ত কার হাতে? বিজেপির হাতে। CRPF কার হাতে? গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়ার হাতে। বিজেপি মানে আমি বিজেপি সরকারের কথা বলছি।'
