কলকাতা : ভোট-পর্ব শেষ। কে বসবে বাংলার মসনদে ? এনিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই এক্সিট পোলের ফলাফল আসতে শুরু করবে। কিন্তু, কী ভাবছেন রাজ্যের বিভিন্ন দলের নেতারা। ভোট-পর্ব মিটতে না মিটতেই জয়ের ব্যাপারে আশাপ্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, "পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হয়ে গেছে। পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন প্রথম দফার ভোটেই হয়ে গিয়েছিল। নতুন সরকার তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। সেটা এখন এগোচ্ছে। আমি আবার বলছি, এই লড়াই তৃণমূলের সঙ্গে মানুষের লড়াই ছিল। গণতন্ত্রে শেষ কথা বলে মানুষ। মানুষ জিতবে। তৃণমূল কংগ্রেস হারবে।"

Continues below advertisement

প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল SIR পর্ব দিয়ে। এবার বিধানসভা ভোট যাতে নির্বিঘ্নে শেষ করা যায় তারজন্য প্রথম থেকেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে দেখা যায় নির্বাচন কমিশনকে। এমনকী বেশি দফাও রাখা হয়নি। দুই দফাতেই ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া মিটিয়ে ফেলার কথা ঘোষণা করেছিল কমিশন। সেইমতো শেষ হয়ে গেল দুই দফার বিধানসভা নির্বাচন। প্রথম দফায় বিক্ষিপ্ত গন্ডগোলের মধ্যে ভোটপর্ব মেটে। যদিও ব্যাপক হারে ভোট পড়ায় দ্বিতীয় দফা নিয়েও কোমড় বেঁধে নামে কমিশন। যদিও দ্বিতীয় দফায় ভোট হওয়া বিভিন্ন জেলা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। তবে, বড়সড় কোনও অভিযোগ সামনে আসেনি। দ্বিতীয় ও শেষ দফাতে ভোটও পড়েছে ব্যাপক হারে। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হল বিজেপি প্রার্থীদের। কোথাও তৃণমূল কর্মীদের তেড়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থী, কোথাও বিজেপি প্রার্থীকে লক্ষ্য করে জয় বাংলা স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।

'এখনও সরকার এলই না তাতেই এত ঝামেলা করছে, যদি সরকার আসে...', ক্ষোভ উগরে দিলেন কালীঘাটের মহিলা ভোটার

Continues below advertisement

এর পাশাপাশি কালীঘাটেও শুভেন্দু অধিকারীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। কী হয়েছিল সেখানে ? এধিন শুভেন্দু কালীঘাটে ঢুকতেই চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁকে দেখে নানা রকম স্লোগান উঠতে থাকে এলাকায়। যাঁরা স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেন কলকাতা পুলিশের কর্তব্যরতরা। কিন্তু, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানান শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাট রোড ও হরিশ মুখার্জী রোডের সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে একের পর এক ফোন করতে থাকেন বিজেপি প্রার্থী। অন্যদিকে, মিত্র ইনস্টিটিউশনে ছিলেন কাজরী বন্দ্যোপাধ্যয়। তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারী এসে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। যাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ায়।