রুমা পাল, কলকাতা: দুই সপ্তাহ পরেই প্রথম দফার ভোট। কালকে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, পর্যবেক্ষকদের নিয়ে। এদিকে, বুথে বুথে কীরকম নিরাপত্তা, সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুম থেকেই নজর রাখবে নির্বাচন কমিশন।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে শুরু হয়ে গেল, সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুম
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে শুরু হয়ে গেল, সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুম। এখানে রয়েছে ৭২ টা স্ক্রিন। এই স্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে সমস্ত ফ্লাইং স্কোয়াড। কোথায় কী হচ্ছে, কীভাবে যাচ্ছে, তা দেখতে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে টিম। কী করছে, সমস্তগুলি ওই স্ক্রিনের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। এগুলি খেয়ালে রাখছেন মাইক্রো অবজারভাররা। প্রায় ২০০ জন মাইক্রো অবজারভার কাজ শুরু করে দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে ৭২ টি স্ক্রিন থাকলেও, পরবর্তীতে আরও ১৮টি স্ক্রিন আসবে। কারণ ভোট যখন শুরু হবে, বুথের ভিতরে এবং বুথের বাইরে কী হবে, তা দেখানো হবে এই স্ক্রিনগুলিতেই।
বুথে অস্বাভাবিক কিছু হলেই খবর পৌঁছবে AI
এইবারে নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রতিটা বুথে দুটো করে ক্যামেরা বসানো হবে। একটা ভিতরে এবং একটা বুথের বাইরে। বুথের বাইরে যে ক্যামেরা থাকবে, সেটা যে লাইন আছে, সেই লাইনটা দেখবে , কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা, তার উপর নজর দেওয়া হবে। বুথের ভিতরে থাকবে, সেটা বুথের ভিতরে পোলিং এজেন্ট, পোলিং স্টাফ, এবং ভোটিং কম্পার্টমেন্টের বাইরে থেকে ছবিটা তুলবেন। আর এই কন্ট্রোল রুমের ৭২ টি স্ক্রিনে ছবি ধারাবাহিকভাবে দেখতে পাবেন মাইক্রো অবজারভাররা। এখানে এআই সিস্টেম থাকবে। কোনও রকম কোনও জিনিস যদি স্বাভাবিক না হয়, বুথের মধ্যে, তাহলে এআই এর মাধ্যমে সঙ্গে সঙ্গে, জানাবে এই বুথটায় সমস্যা হচ্ছে। অবজারভার, পুলিশ অবজারভার এবং কুইক রেসপন্স টিমের কাছে খবর চলে যাবে। এটা তো ইলেকশন প্রক্রিয়ার উপর নজরদারির জন্য করা হচ্ছে।
কড়া নজরদারি কেন্দ্রীয় বাহিনীর
মূলত বছর বছরই ভোটে একাধিক অভিযোগ উঠে আসে। কখনও ভোট চুরি, হামলা, খুন, কিছুই যায় না বাদ। তবে এবার ছাব্বিশের ভোটের আগে কড়া কমিশন। একদিকে এসআইআর করে ভোটার তালিকা ঝাড়াই বাছাই, অন্যদিকে হামলা আক্রমণ রুখতে, নিরাপত্তা অটুট রাখতে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
