কলকাতা : ভোট শেষ। এবার ফল ঘোষণার অপেক্ষা। কিন্তু, তারজন্য আরও কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। এই পরিস্থিতিতে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। বাংলার মসনদে বসবে কোন দল ? এরমধ্যে সবথেকে আলোচনায় উঠে আসছে যে দুটি দল তা হল - তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি। কিন্তু, প্রত্যাবর্তন না পরিবর্তন কী হবে ? এই মুহূর্তে সামনে আসা ৫টি এক্সিট পোলে চমকপ্রদ তথ্য উঠে আসছে। সেই অনুযায়ী, চারটি এক্সিট পোলেই এগিয়ে বিজেপি। একটা এক্সিট পোল এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে ? যদিও আরও এক্সিট পোল সামনে আসার অপেক্ষায় । এই পরিস্থিতিতে দেখা যাক, উল্লেখযোগ্য ৫টি এক্সিট পোলের ফলাফল...
Continues below advertisement
চাণক্য স্ট্র্যাটেজি-র Exit Poll
বিজেপি- ১৫০-১৬০
Continues below advertisement
তৃণমূল- ১৩০-১৪০
কংগ্রেস- ২-৪
অন্যান্য-৪-৬
প্রজা পোল অ্যানালিটিক্স-এর Exit Poll
বিজেপি- ১৭৮-২০৮
তৃণমূল- ৮৫-১১০
অন্যান্য- ০-৫
ম্যাট্রিজ-এর Exit Poll
বিজেপি- ১৪৬-১৬১
তৃণমূল- ১২৫-১৪০
অন্যান্য- ৬-১০
পোল ডায়েরি-র Exit Poll
বিজেপি- ১৪২-১৭১
তৃণমূল- ৯৯-১২৭
কংগ্রেস-৩-৫
সিপিএম-২-৩
অন্যান্য- ০-১
পিপলস পালস-এর Exit Poll
বিজেপি- ৯৫-১১০
তৃণমূল-১৭৭-১৮৭
বাম+ - ০-১
কংগ্রেস- ১-৩
চমকে দেওয়ার মতো এই সমীক্ষার ফল! সবার থেকে আলাদা! কী বলছে 'পিপলস পালস-এর Exit Poll'?
Disclaimer: রাজ্যে দু’দফায়
বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। জনতা জনার্দন কী রায় দিয়েছে? পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, কী ভাবছেন ভোটাররা? সেই সব উত্তর আর প্রার্থীদের ভাগ্য এখন EVM বন্দি। তবে, তা নিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের বিভিন্ন মিডিয়া। সেই দুহাজার পাঁচ সাল থেকে এবিপি আনন্দে প্রতিটি নির্বাচনে ওপিনিয়ন পোল বা এক্সিট পোল আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। তার মধ্যে কিছু মিলেছে, আবার কিছু মেলেনি। মেনে নিতে এতটুকুও দ্বিধা নেই যে, এইসব সমীক্ষার accuracy কিন্তু ক্রমশ কমছে। এর কারণ, শুধুমাত্র সমীক্ষার Sample Size ছোট হওয়া নয়, ইদানিং এর বড় কারণ চ্যাটবট বা বিভিন্ন AI সফটওয়্যারের ব্যবহার। Field-Survey যত কমবে, মোবাইল বা AI সফটওয়্যারের ব্যবহার যত বাড়বে, বাস্তবের সঙ্গে সমীক্ষার ফারাক তত বাড়বে। তবুও, প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক সংস্থাগুলো বাংলার ভোট নিয়ে যে-সব সমীক্ষা করবে, তাদের সবার সমীক্ষাই আমরা তুলে ধরব। কিন্তু এই সমীক্ষার সঙ্গে আমাদের জার্নালিস্টিক জাজমেন্ট বা এডিটোরিয়াল পলিসির কোনও সম্পর্ক নেই। সমীক্ষক সংস্থার দেওয়া সংখ্যাগুলো হুবহু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে মাত্র। আরও স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, এবিপি আনন্দ নিজস্ব কোনও সমীক্ষা করেনি। রাজ্যের মসনদে কে, তা জানা যাবে একমাত্র ৪ মে-ই।