মুম্বই: দু’জনের সংসারে তৃতীয়জনের আবির্ভাব ঘটল। বাবা হলেন বলিউড অভিনেতা রাজকুমার রাও। তাঁর স্ত্রী পত্রলেখা পাল কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। চতুর্থ বিবাহবার্ষিকীতেই কন্যাসন্তান এল তাঁদের ঘরে। সোশ্য়াল মিডিয়ায় সকলকে সেই সুখবর জানিয়েছেন তারকাদম্পতি। (Rajkummar Rao-Patralekhaa)
শনিবার সকাল সকাল সকলকে সুখবর শোনালেন রাজকুমার ও পত্রলেখা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁরা লেখেন, ‘আনন্দে আত্মহারা আমরা। কন্যাসন্তান দিয়ে ঈশ্বর আমাদের আশীর্বাদ করেছেন’। তাঁরা আরও লেখেন, ‘চতুর্থ বিবাহবার্ষিকীতে ঈশ্বর আমাদের আশীর্বাদধন্য করেছেন’। (Bollywood News)
তারকাদম্পতির কাছ থেকে সুখবর পেয়ে বলিউডে তাঁদের কলাকুশলীরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বরুণ ধওয়ান, নেহা ধুপিয়া, আলি ফজল, ভারতী সিংহ-সহ অনেকেই শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন তাঁদের। চলতি বছরের জুলাই মাসে পত্রলেখার অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। সেবারও নিজেরাই সকলকে খবর দিয়েছিলেন। মেয়ের নাম এখনও প্রকাশ করেননি পত্রলেখা।
রাজকুমারের বয়স ৪১ বছর। পত্রলেখা ৩৫ ছুঁয়ে ফেলেছেন। তবে সন্তানধারণে সেভাবে সমস্যা না হাওয়ার কারণ পত্রলেখা নিজেই খোলসা করেন। সেপ্টেম্বর মাসে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিন বছর আগেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন তিনি। তবে স্বাভাবিক উপায়েই অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে জানা। নায়িকা আরও জানান, গর্ভাবতী হওয়ার থেকে ডিম্বাণু সংরক্ষণের প্রক্রিয়া কঠিন ছিল তাঁর জন্য। তিনি বলেন, “অল্পবয়সি মেয়েদের আমি তো বলব, প্রেগন্যান্ট হতে।” প্রথম প্রথম গর্ভাবস্থার খবর সকলকে জানাতেও ভয় পাচ্ছিলেন বলে জানান পত্রলেখা।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে সেই সময় পত্রলেখা বলেন, "তিন বছর আগে ডিম্বাণু সংরক্ষণ করিয়েছিলাম। এখন অন্তঃসত্ত্বা আমি। আমার মনে হয়, অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ডিম্বাণু সংরক্ষণের চেয়ে বেশি সহজ ছিল। কতটা কঠিন বিষয় সেই সময় চিকিৎসক জানাননি আমাকে। আমার ওজন বেড়ে যায়। ডিম্বাণু সংরক্ষণের পরও অনেক সময় লাগে স্বাভাবিক হতে। দু'টোর মধ্যে বেছে নিতে বললে আমি বলব, অল্পবয়সি মেয়েদের অন্তঃসত্ত্বা হওয়া উচিত। ওই গোটা প্রক্রিয়ার চেয়ে এটা বেশি হজ।"
২০১৪ সালে হংসল মেহতার ‘সিটি লাইটস’ ছবির সেটে ঘনিষ্ঠতা রাজকুমার ও পত্রলেখার। সেই থেকে তাঁদের দীর্ঘ প্রেমপর্বের সাক্ষী সকলের। শেষে ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। নিজেদের চতুর্থ বিবাহবার্ষিকীতেই কন্যাসন্তান ঘরে এল তাঁদের।