LIVE UPDATES: জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি 'খুব স্পর্শকাতর', স্বাভাবিকতা ফেরাতে সময় দিতে হবে, বলল সুপ্রিম কোর্ট, কেন্দ্রকে এখনই কোনও নির্দেশ দিতে নারাজ
কংগ্রেস কর্মী তেহসিন পুনাওয়ালা মামলাটি করেছেন। বিচারপতি অরুণ মিশ্র, এম আর সাহ ও অজয় রাস্তোগির বেঞ্চে শুনানি চলবে।
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দLast Updated: 13 Aug 2019 03:41 PM

প্রেক্ষাপট
নয়াদিল্লি: জম্মু কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা খর্ব করা ও নানা ‘দমনপীড়নমূলক’ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আজ শীর্ষ আদালতে শুনানি। কংগ্রেস কর্মী তেহসিন পুনাওয়ালা মামলাটি করেছেন। বিচারপতি অরুণ মিশ্র, এম আর সাহ ও অজয়...More
নয়াদিল্লি: জম্মু কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা খর্ব করা ও নানা ‘দমনপীড়নমূলক’ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আজ শীর্ষ আদালতে শুনানি। কংগ্রেস কর্মী তেহসিন পুনাওয়ালা মামলাটি করেছেন। বিচারপতি অরুণ মিশ্র, এম আর সাহ ও অজয় রাস্তোগির বেঞ্চে শুনানি চলবে।আর একটি আবেদন করেছেন কাশ্মীর টাইমস পত্রিকার এক্সিকিউটিভ এডিটর অনুরাধা ভাসিন। তাঁর দাবি, ৩৭০ খর্ব করার পর কাশ্মীরে সাংবাদিকদের কাজকর্মে নানা কড়াকড়ি চলছে, তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হোক। পুনাওয়ালার অবশ্য বক্তব্য, ৩৭০ ধারা নিয়ে তিনি কোনও মতামত দিচ্ছেন না, তাঁর শুধু দাবি, কাশ্মীরে কারফিউ তুলে নেওয়া হোক, ফোন লাইন খুলে দেওয়া হোক, খোলা হোক ইন্টারনেট ও নিউজ চ্যানেল। এছাড়া দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতির মুক্তিরও দাবি করেছেন তিনি।এছাড়া কাশ্মীরের বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে একটি বিচারবিভাগীয় কমিশন বসানোর আবেদন করেছেন তিনি।পুনাওয়ালার বক্তব্য, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা খর্ব করে কেন্দ্র সংবিধানের ১৯ ও ২১ নম্বর ধারায় স্বীকৃত নাগরিকের মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করেছে। অকারণে জারি করা হচ্ছে কারফিউ, সাবধানতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গ্রেফতার করা হচ্ছে, ফোন লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে, বন্ধ ইন্টারনেট। সংবাদমাধ্যমের মুখ বন্ধ, স্বাস্থ্য পরিষেবা মিলছে না, স্কুল, কলেজ, অফিস, দোকানপাট- সব বন্ধ রয়েছে। কার্যত ঘিরে ফেলা হয়েছে গোটা রাজ্যকে। বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতানেত্রীদের গ্রেফতার করার অর্থ আছে কিন্তু মূল ধারার রাজনীতিবিদদের সঙ্গে একই ব্যবহার করা হচ্ছে কেন। প্রশ্ন তাঁর আবেদনে।এছাড়া সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে ওমর আবদুল্লার দল ন্যাশনাল কনফারেন্স। জম্মু কাশ্মীরের সাংবিধানিক মর্যাদা পরিবর্তন নিয়ে কেন্দ্রের পদক্ষেপ চ্যালেঞ্জ করেছে তারা। মনোহরলাল শর্মা নামে জনৈক আইনজীবীও একই আবেদন করেছেন।
কেন্দ্রের তরফে অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেনুগোপাল বেঞ্চকে বলেন, ২০১৬-র জুলাইয়ের মাঝামাঝি নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে হিজবুল মুজাহিদিন কম্যান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর উপত্যকায় ছড়িয়ে দেওয়া অশান্তি, হিংসাত্মক বিক্ষোভের কথা মাথায় রেখেই বিধিনিষেধ বহাল রাখা হয়েছে। সেবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে তিন মাস সময় লেগেছিল। এবার পরিস্থিতি ইতিবাচক থাকলে দিনকয়েক বাদেই বিধিনিষেধ শিথিল করা হবে। সরকার প্রতিদিনই পরিস্থিতি বিচার করছে। ৩৭০ ধারা উঠে যাওয়ার পর রাজ্যে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান তিনি। বেনুগোপাল বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা আমাদের সুনিশ্চিত করতে হবে।