Avocado Health Benefits: ব্রেকফাস্টে কী খাবেন, তা নিয়ে চিন্তায় থাকেন প্রায় সকলেই। স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট খেতে হবে। এদিকে একটু মুখরোচক খাবারও হতে হবে। রোজ একঘেয়ে খাবার হলে মুখে রুচবে না। ব্রেকফাস্টে রাখতে পারেন অ্যাভোকাডো টোস্ট। অ্যাভোকাডো খেলে কী কী উপকার পাবেন, কীভাবে টোস্টের সঙ্গে অ্যাভোকাডো খাবেন, দেখে নিন। 

Continues below advertisement

অ্যাভোকাডো একটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবার। মাঝে মাঝে খেতে পারেন এই ফল। উপকার পাবেন অনেক। ব্রেকফাস্টে অ্যাভোকাডো পেস্ট দিয়ে খেতে পারেন পাঁউরুটি। অনেকেই খেয়ে থাকেন এই খাবার। অ্যাভোকাডোর ভিতরের শাঁস বের করে নিয়ে তার মধ্যে গোলমরিচ, লঙ্কা, বিটনুন মিশিয়ে সহজে বানিয়ে নিন পেস্ট। পাঁউরুটির সঙ্গে মাখন এবং জ্যাম-জেলির পরিবর্তে এই অ্যাভোকাডো পেস্ট দিয়ে খেয়ে দেখতে পারেন। 

এবার দেখে নেওয়া যাক অ্যাভোকাডো খেলে কী কী উপকার হবে আপনার শরীর-স্বাস্থ্যের 

Continues below advertisement

  • হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখে অ্যাভোকাডো। কমায় ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা। নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তচাপের মাত্রাও। 
  • হার্টের জন্য ভাল এমন হেলদি ফ্যাট রয়েছে অ্যাভোকাডোর মধ্যে। এগুলি মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট। 
  • এছাড়াও অ্যাভোকাডোর মধ্যে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন এবং মিনারেলস। হার্ট ভাল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম রয়েছে অ্যাভোকাডোর মধ্যে। 
  • ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন বি৬ রয়েছে অ্যাভোকাডোর মধ্যে। এইসব ভিটামিন খেয়াল রাখে চুল ও ত্বকের। 
  • অ্যাভোকাডোর মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। ক্যালোরি কম। তাই এই ফল খেলে পেট ভরে থাকবে অনেকক্ষণ। খাইখাই ভাব কমবে। 
  • মস্তিষ্ক প্রখর রাখার পাশাপাশি ওজন কমানো, সবেতেই অ্যাভোকাডোর জুড়ি মেলা ভার। তাই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন এই ফল। 
  • ভোকাডোর মধ্যে রয়েছে মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এই বিশেষ ধরনের হেলদি ফ্যাট আমাদের শরীরে ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। তাই নিয়মিত অ্যাভোকাডো খেলে হার্ট ভাল থাকবে। হৃদযন্ত্রের সমস্যা দেখা দেবে না। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমবে। 
  • প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে অ্যাভোকাডো। তাই এই খাবার রোজ খেলে ভাল থাকবে আপনার হজমশক্তি। খাবার খেয়ে সহজে হজম করতে পারবেন আপনি। আর খাবার ভালভাবে হজম হলে আপনার শরীরে অ্যাসিডিটি, গ্যাস এইসব সমস্যা দেখা যাবে না। এর পাশাপাশি যেহেতু অ্যাভোকাডো ফাইবার সমৃদ্ধ একটি ফল, তাই এটি খেলে আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে, তাও দূর হবে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই। 

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।