Health Tips: চায়ের সঙ্গে কিছু না খেলে অনেকেরই চলে না। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় বিস্কুট। মানে বেশিরভাগ মানুষই চায়ের সঙ্গে বিস্কুটই খেয়ে থাকেন। অনেকে বেশ পছন্দ করেন বিস্কুট। আর পছন্দের জিনিস তো মেপে খাওয়া হয় না। পরিমাণে বেশিই খাওয়া হয়ে যায়। তবে অতিরিক্ত বিস্কুট খেলে কিন্তু শরীরে দেখা দিতে পারে অনেক সমস্যা। তাই চায়ের সঙ্গে রোজই বেশ কয়েকটি বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস থাকলে, অবিলম্বে বিস্কুট খাওয়ার পরিমাণ কমান। নাহলে শরীর-স্বাস্থ্যে কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে, জেনে নিন।
বিস্কুট মারাত্মক ওজন বৃদ্ধি করে
বিস্কুট যেহেতু ময়দা দিয়ে তৈরি হয় তাই বিস্কুট খেলে ওজন বাড়তে অতিরিক্ত হারে। তাই বিস্কুট খাওয়ার আকর্ষণ কমানো উচিৎ। পারলে একেবারেই ছেড়ে দিন। বদলে অন্য কিছু খান চায়ের সঙ্গে। মিষ্টি জাতীয় বিস্কুট, ক্রিম বিস্কুট, কুকিজও মারাত্মক ভাবে ওজন বাড়িয়ে দেয়।
হার্ট অর্থাৎ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য খারাপ করতে পারে অতিরিক্ত বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস
ব্লাড সুগারের মাত্রা চড়চড় করে বাড়তে পারে বিস্কুট খাওয়ার এই অভ্যাসের কারণে। তার ফলে আরও অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস কোলেস্টেরলের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারবে হার্টে। তাই ব্লাড সুগার এবং ব্লাড প্রেশারের সমস্যা যাঁদের রয়েছে, তাঁরা এমনিতেই বিস্কুট খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।
দাঁতের সর্বনাশ করতেও মিষ্টি বিস্কুটের জুড়ি মেলা ভার
মিষ্টি বিস্কুট, কুকিজ, ক্রিম বিস্কুট খেলে দাঁতের সমস্যা হতে পারে। দাঁতে ক্যাভিটি দেখা দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন। বাচ্চাদের বিস্কুট খেতে দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। মাঝেমধ্যে দিলে অসুবিধা নেই। তবে নিয়মিত দেওয়া যাবে না। মিষ্টি বিস্কুট খাওয়ার পর অবশ্যই মনে করে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। নাহলে দাঁতের বারোটা বেজে যাবে খুব সহজেই। ক্রিম বিস্কুট, কুকিজ- এইসব মিষ্টি জাতীয় বিস্কুট যত খাবেন ততই মঙ্গল। পেটের সমস্যাও বেড়িয়ে দেয় এই ধরনের বিস্কুট। পেটে ব্যথা হতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ায়
অতিরিক্ত বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও ডেকে আনে। এই সমস্যা থাকলে তা বেড়েও যেতে পারে। নিয়মিত অনেক বিস্কুট খেলে আমাদের শরীরে সঠিক পুষ্টিরও ঘাটতি হতে পারে। তাই এই অভ্যাস ত্যাগ করুন। অনেকসময়েই অতিরিক্ত বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস আমাদের শরীরে সঠিক পরিমাণে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপকরণ শোষিত হতে দেয় না।
ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।