Indigestion Problem: বদহজমের সমস্যা এড়াতে আমরা অনেকেই বিভিন্ন ধরনের জিনিস খেয়ে থাকি। অনেকে আবার বদহজম, অ্যাসিডিটি এড়াতে অ্যান্টাসিড, গ্যাসের ওষুধ - এইসবও খেয়ে থাকেন। তবে এত কিছুর আদতে প্রয়োজন নেই। দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলেই বদহজমের সমস্যা দূর হবে। 

বদহজম এবং অ্যাসিডিটি ও গ্যাসের সমস্যা এড়াতে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে 

  • সময়ে খাওয়া-দাওয়া করতে হবে। অনেকক্ষণ খালি পেটে থাকলে চলবে না। তেলমশলা, ভাজাভুজি এড়িয়ে চলতে হবে। 
  • খাবার খাওয়ার আগে কিংবা পরেই সঙ্গে সঙ্গে জল খাবে না। এর ফলে শরীরে অনেক সমস্যাই দেখা দিতে পারে। 
  • খুব পেট ভরে খাবার কখনই খাবেন না। আর একসঙ্গে অনেকটা খাবার না খেয়ে বারে বারে অল্প করে খেতে হবে। 
  • অনেক রাত করে ডিনার না করাই শ্রেয়। সময়ে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে। 

এবার জেনে নেওয়া যাক কোন কোন খাবার রোজ পাতে অল্প করে রাখলে বদহজমের সমস্যা থেকে দূরে থাকবেন আপনি 

  • ইয়োগার্ট খেতে পারেন রোজ। তবে অল্প পরিমাণে। ইয়োগার্টে প্রচুর প্রোবায়োটিকস থাকে। এই উপকরণ অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। আর অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল থাকলে দূর হবে গ্যাস, অম্বল, বদহজমের সমস্যা। 
  • প্রতিদিন অল্প পরিমাণে আদা খেতে পারলে ভাল। আদার রস দিয়ে চা খান কিংবা রান্নায় আদার ব্যবহার করুন, অথবা হাল্কা গরম জলে আদার রস মিশিয়ে খেতে পারেন। আদা বদহজম এবং পেট ফেঁপে থাকার সমস্যা দারুণ ভাবে দূর করে। 
  • পাকা পেঁপে রোজ অল্প পরিমাণে খেলে ভাল থাকবে আপনার লিভারের স্বাস্থ্য। শরীরে জমা টক্সিন দূর হবে ভালভাবে। আর পাকা পেঁপে খেলে বদহজমের সমস্যা দূর হতে বাধ্য। 
  • সবুজ রঙে শাকপাতা জাতীয় খাবার মাঝে মাঝে পাতে রাখুন। এইসব শাকপাতায় প্রচুর ফাইবার এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এই দুই উপকরণ অন্ত্রের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখে। কমায় বদহজম, গ্যাস, অ্যাসিডিটি, পেট ফেঁপে থাকার সমস্যা। 
  • রোজ ওটস খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। ডায়েটারি ফাইবার যুক্ত ওটস খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকবে। এছাড়াও ওটস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়। আর পেটের নির্দিষ্ট এই সমস্যা দূর হলে, বদহজম হবে না। গ্যাস, অম্বল, পেট ফেঁপে থাকার সমস্যাও দেখা দেবে না। 
  • চিয়া সিড এবং কলা খেলে পারেন রোজ, তবে অল্প পরিমাণে। এই দুই উপকরণই অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। আর অন্ত্র ভাল থাকলে অবশ্যই বদহজমের সমস্যা, পেটের সমস্যা দূর হবে। 

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।