কলকাতা: হাঁটা সবসময় শরীরের পক্ষে উপকারী। যেকোনও ওয়ার্ক আউট করতে না পারলেও দিনে একটা নির্দিষ্ট সময় হাঁটলে অনেকটাই উপকার পাওয়া যায়। তাই ভালো থাকার জন্য নিয়মিত একটু হলেও হাঁটতে পরামর্শ দেন। হাঁটা (walking) এমন একটা উপায় যাতে সহজেই যেকোনও রোগ নিরাময় সম্ভব।
কিন্তু কতক্ষণ হাঁটবেন? (walking benefits) যারা সকালে হাঁটতে যান, তাদের জন্য পরামর্শ, ঘুম থেকে উঠেই হাঁটতে যাওয়া ঠিক না। ঘুম থেকে ওঠার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর হাঁটতে বের হওয়া উচিত। পাশাপাশি প্রতিদিন খালি পায়ে হাঁটার উপকারিতা অনেক। বিভিন্ন রকম শারীরিক সমস্যা দূর হয় খালি পায়ে হাঁটার ফলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘাসের উপর খালি পায়ে হাঁটলে উপ কার আরও বেশি।
প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা উচিত। তবে আপনি চাইলে সপ্তাহে প্রতিদিন না-ও হাঁটতে পারেন। পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে ১৫০ মিনিট হাঁটলেও আপনি সুস্থ থাকবেন। মানে একজন মানুষের সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটা জরুরি। একবারে ৩০ মিনিট হাঁটার শারীরিক ক্ষমতা না থাকলে তিনবার ১০ মিনিট করে ৩০ মিনিট হাঁটতে পারেন। অথবা একবার ২০ মিনিট, অন্যবার ১০ মিনিট করে মোট ৩০ মিনিট করে নিতে পারেন।
তবে, প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট খালি পায়ে ধীরে ধীরে হাঁটার অভ্যাস করুন। বাইরে খালি পায়ে হাঁটার সুযোগ না থাকলে, ঘরেই খালি পায়ে হাঁটলে বিভিন্ন শারীরিক উপকার পাবেন। খালি পায়ে হাঁটলে স্বাস্থ্যের কার্ডিওভাসকুলার উন্নতি ঘটে। যা উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে। হৃদরোগের সম্ভাবনাও কমে যায় নিয়মিত খালি পায়ে হাঁটলে। খালি পায়ে হাঁটলে মানব দেহের ইলেকট্রনের বিস্তার বাড়ে। এই ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট আকুপাংচার পয়েন্ট এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। মানব দেহের অ্যান্টি অক্সিডেন্টগুলো ইলেক্ট্রন দিয়ে তৈরি, যা ফ্রি রেডিকেল ধ্বংস করে।
যদি নিজেকে সুস্থ রাখতে চান তাহলে বাড়ির অন্দরে হোক কিংবা সামনের গলিতে হাঁটা অভ্যাস করুন। খাবার সহজে পরিপাক হয় । শরীরে হজম এতটাই ভাল হয় যে জলের মাত্রা সঠিক থাকে। টক্সিন বেড়িয়ে যেতে পারে, এবং মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, যে কারণেই শরীরে ইমিউনিটি বাড়তে থাকে এবং বর্তমান সময়ে এটি বেশ দরকারি। -