Soaked Foods Health Benefits: সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন অনেক কিছুই খেয়ে থাকি আমরা। এর মধ্যে কয়েকটি জিনিস রয়েছে যেগুলি রোজ খেতে পারলে ভাল। আর সেগুলি যদি জলে ভিজিয়ে খাওয়া যায়, তাহলে উপকার পাবেন সবচেয়ে বেশি। এইসব জিনিস যেদিন খাবেন, তার আগের দিনের রাতে জলে ভিজিয়ে রাখতে পারলেই ভাল। আর যদি সকালে খালি পেটে খেতে পারেন, তাহলে স্বাস্থ্য ভাল থাকবে। 


প্রতিদিন কোন কোন জিনিস জলে ভিজিয়ে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন, জেনে নিন 


কিশমিশ 


রোজ কিশমিশ খেতে পারলে ভাল। জলে ভিজিয়ে কিশমিশ খেতে পারলে উপকার পাবেন সবচেয়ে বেশি। লালচে রঙের কিশমিশ হোক কিংবা কালো রঙের কিশমিশ- দুটোই জলে ভিজিয়ে খেতে পারেন। যেদিন খাবেন তার আগের রাতে জলে ভিজিয়ে রাখুন। কাচের পাত্রে কিশমিশ জলে ভিজিয়ে রাখতে পারলে ভাল। কিশমিশ জলে ভিজিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হবে। বদহজমের সমস্যাও কমবে। এছাড়াও বাড়বে ইমিউনিটি। কিশমিশ ভিজিয়ে রাখা জলটুকুও খেয়ে নিতে পারেন আপনি। সংক্রমণ থেকে দূরে থাকবেন। কিশমিশ ভেজানো জল খেলে এবং জলে ভিজিয়ে রাখা কিশমিশ খেলে, ত্বকের স্বাস্থ্যও ভাল থাকবে। কালচে দাগছোপ দূর হবে। বাড়বে উজ্জ্বলতা। ত্বক মোলায়েমও থাকবে। 


আমন্ড 


হাই ব্লাড প্রেশার, ব্যাড কোলেস্টেরল -এই দুই শারীরিক সমস্যা কমাতে রোজ আমন্ড খেতে পারেন। রোজ ২ থেকে ৩টে আমন্ড খাওয়া ভাল। রাতে জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খোসা ছাড়িয়ে খেয়ে নিন। মস্তিষ্ক সজাগ, সক্রিয়, প্রখর রাখতে আমন্ড খাওয়া ভাল। এছাড়াও প্রতিদিন আমন্ড খাওয়ার অভ্যাস মনঃসংযোগ এবং একাগ্রতা বাড়াতেও সাহায্য করে। তাই আমন্ড খেলে জল ভিজিয়ে খাওয়াই ভাল। আমন্ড খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকে। তার ফলে খাইখাই ভাব কমে। এছাড়াও ওজন কমাতেও সাহায্য করে আমন্ড খাওয়ার অভ্যাস। মূলত জলে ভিজিয়ে রাখা আমন্ড রোজ খেলে আপনার হার্ট ভাল থাকবে। ব্লাড প্রেশার এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে ভাল থাকবে হৃদযন্ত্র। 


ছোলা, মুগকড়াই, কাবলি চানা 


এই তিন উপকরণও জলে ভিজিয়ে রেখে খেতে পারলেই ভাল। স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে অঙ্কুরিত ছোলা, সবুজ রঙের মুগকড়াই এবং কাবলি চানার জুড়ি মেলা ভার। জলে ভিজিয়ে খেলেই উপকার পাবেন সবচেয়ে বেশি। তবে কাঁচা ছোলা, মুগকড়াই এবং কাবলি চানা অনেকদিন ধরে খেতে থাকলে পেটের সমস্যা হতে পারে। তাই একটু সতর্ক থাকা প্রয়োজন। 


ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।