Berries Health Benefits: শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখতে চাইলে প্রতিদিন ফল খাওয়া জরুরি। দিনে একটা ফল খেলে অনেক উপকার পাবেন। রোজ যেসব ফল খাবেন সেই তালিকায় অবশ্যই রাখুন বিভিন্ন ধরনের জাম। প্রচুর উপকার হবে শরীর-স্বাস্থ্যের। ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, র‍্যাসপবেরি, ব্ল্যাকবেরি - সব ধরনের জাম জাতীয় ফল খেলেই উপকার পাবেন অনেক। রোজ জাম খেলে অল্প পরিমাণে খাওয়াই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। বেশি খেলে সমস্যা হতে পারে। অনেকেই রোজ ফ্রুট স্যালাড খেয়ে থাকেন। তার মধ্যে দিতে পারেন বিভিন্ন ধরনের জাম। ফ্রুট কাস্টার্ডের মধ্যেও জাম দিয়ে খেলে স্বাদ খুব ভাল লাগে। এছাড়া শুধুও খেতে পারেন। 

এবার দেখে নেওয়া যাক, রোজ জাম খাওয়া কেন ভাল শরীর-স্বাস্থ্যের পক্ষে 

  • যেকোনও ধরনের জাম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসে ভরপুর। ত্বকের জন্য এই ফল খুবই ভাল। জেল্লা বজায় রাখে। 
  • জামের মধ্যে থাকা ভিটামিন সি আমাদের কোষের ক্ষয় হতে দেয় না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। 
  • ব্লাড প্রেশার, কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে বিভিন্ন ধরনের জাম। তাই এই ফল খেলে ভাল থাকবে আপনার হার্ট। 
  • জামের মধ্যে ডায়েটারি ফাইবারের পরিমাণ বেশি। তাই এই ফল খেলে হজমশক্তি ভাল হয়। এছাড়াও ভাল থাকবে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য। 

বিভিন্ন ধরনের জামের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্লুবেরি। এই ব্লুবেরি খেলে কিডনি ভাল থাকবে। এই ফলে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং কম পটাশিয়াম রয়েছে এই ফলের মধ্যে। বেশি অক্সিডেন্টস এবং কম পটাশিয়ামের কারণে ব্লুবেরি খেলে কিডনির অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং ইনফ্লেমেশনের সমস্যা কমবে। 

র‍্যাসপবেরি- এই বিশেষ জাম খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তার মধ্যে একটা হল এই জাম খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে। র‍্যাসপবেরিতে রয়েছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। এই দুই উপকরণ শরীরে ইনফ্লেমেশনের সমস্যাও কমাতে সাহায্য করে। 

লাল রঙের ফল স্ট্রবেরি খাওয়ার অনেক গুণ রয়েছে। এই ফল খেলে গেঁটে বাতের যন্ত্রণাও দূর করা সম্ভব। তাই স্ট্রবেরি খেতে পারেন আপনি। ফল হিসেবে স্ট্রবেরি খেলে আপনার হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যও ভাল থাকবে কারণ স্ট্রবেরি খেলে কমে ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা। 

জাম জাতীয় ফল- বিভিন্ন ধরনের জামের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং ফাইবার, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখে। বদহজমের সমস্যা কমায়। স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, র‍্যাসপবেরি খেতে পারেন আপনি। 

ডিসক্লেমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।