ওজন কমাতে চাইছেন না, কিন্তু কিছুতেই পারছেন না, এই আফশোস বহুজনের অনেকেই। ছুটে-দৌড়ে ধরে নেন, এ আমার দ্বারা হবে না ! তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে এই মহিলার ওয়েটলস জার্নি। বিশেষত বিপাক প্রক্রিয়া ধীর তাদের তো খুবই সমস্যা। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। তাতে তিনি বলেছেন, কত সহজে তিনি ২৮ কেজি ওজন ঝরিয়ে তন্বীতনু হয়ে উঠেছেন ! তিনি নিজেও একজন ফিটনেস-গাইড, নিউট্রিশনিস্ট। তবে তাঁর রোগা হওয়ার পদ্ধতিটি খুবই ঘরোয়া। বিশাল ঝক্কির নয় মোটেই। তাঁর মতে কয়েকটা জিনিস জীবন থেকে বাদ দিলে ওজন ঝরানোটা কোনও ব্যাপারই নয় ! 

কয়েকটি জিনিস মনে রাখবেন যদি আপনি সত্যিই ওজন কমাতে চান!

  • তাঁর পরামর্শ দ্রুত ওজন কমানোর কৌশলের ফাঁদে পা দেবেন না।  সপ্তাহে ১-১.৫ কেজির বেশি ওজন কমানো মটোই স্বাস্থ্যকর নয়।  এর থেকে দ্রুত ওজন ঝরাতে গেলে তা আপনার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের  উপর প্রভাব ফেলতে পারে । 
  • ধৈর্য ধরতে হবে। তাৎক্ষণিক ফলাফল চাইলে মুশকিল। হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। থিতু জীবন নয়, পরিশ্রম করতেই হবে। যোগা করা যেতে পারে। ক্যালরি ঝরাতে আপনার অস্ত্র হতে পারে নাচ, হাঁটা, দৌড়, সাইক্লিং,সাঁতার, ওয়েট ট্রেনিং করা যেতে পারে। 
  • নিউট্রিশনিস্ট নিজে প্রতিদিন ২ কিমি দিয়ে শুরু করেছিলেন।  ৫ কিমি করে হাঁটতেন পরে। শেষ পর্যন্ত রোজ ১০ কিমি করে হাঁচতেন। এরপর তাঁর মনে হয়েছিল ওয়েট ট্রেনিং নেওয়া উচিত এবং তারপরই তিনি জিমে যেতে শুরু করেন। 
  • তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ে নজর রাখতে বলেছেন। যেমন, ক্যালরির সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে পুষ্টির বিষয়টিও। ওজন ঝরাতে গিয়ে পুষ্টির ঘাটতি হলে চলবে না।  প্রত্যেকের ওয়েটলস জার্নি আলাদা।   স্বাস্থ্য,  হরমোন, বিপাকের হার, সবকিছুই আলাদা। তাই অন্যের সঙ্গে তুলনা করে নিজের ডায়েট চার্ট ঠিক করলে চলবে না।   
  • মনে রাখতে হবে, নিজের লোভের কাছে বারবার নতিস্বীকার করলে ওজন কমানোর পদ্ধতিটা ধীর হয়ে যাবে। 
  • রাতের খাবারটা ঘুমনোর অনেকটা আগে খেতে হবে।