Hot Water Bath: অনেকেরই রাতে স্নান করার অভ্যাস রয়েছে। সারাদিনের পর অফিস থেকে বাড়ি ফিরে অনেকেই স্নান করেন। এই সময় ব্যবহার করুন হাল্কা উষ্ণ গরম জল। রাতে স্নান করলে সবসময়েই গরম জলে করা ভাল। তার ফলে অনেক উপকার পাবেন আপনি। শরীরেও হবে আরাম। ঈষদুষ্ণ জলে রাতে স্নান করলে শরীর চাঙ্গা, ঝরঝরে লাগবে আপনার। নিমেষে দূর হবে আপনার শরীরের ক্লান্তি। 

রাতে স্নান করলে ঈষদুষ্ণ জল ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের পক্ষে কেন ভাল 

  • সারাদিনের পরিশ্রমের পর শরীরে প্রচুর ক্লান্তি থাকে। স্ট্রেসের পরিমাণও বাড়ে সারাদিনের কাজের ফলে। বাড়ি ফিরে রাতে ঈষদুষ্ণ গরম জলে স্নান করলে স্ট্রেসের পরিমাণ অনেকটাই কমবে। 
  • আজকাল কাজের সূত্রে প্রায় সবাইকেই কম্পিউটার ব্যবহার করতে হয়। একটানা কম্পিউটারে বসে কাজ করলে ঘাড়ে, পিঠে ব্যথা হয়। মাথাতেও ব্যথা হতে পারে। সেক্ষেত্রে অফিস থেকে বাড়ি ফিরে হাল্কা গরম জলে স্নান করলে ব্যথায় কিছুটা আরাম পাবেন। 
  • ঠান্ডা জলের তুলনায় রাতে গরম জলে স্নান করলে আপনার শরীর অনেক বেশি চাঙ্গা, ঝরঝরে থাকবে। ক্লান্তি দূর হবে। স্ট্রেস কমবে। ফলে পরবর্তী কাজে উৎসাহ পাবেন আপনি। 

খেয়াল রাখবেন জল যাতে বেশি গরম হয়ে না যায়। তাহলে চুল এবং ত্বকের প্রভূত ক্ষতি হবে। তাই হাল্কা গরম জলই ব্যবহার করতে হবে। আরামের জন্য চাইলে ঈষদুষ্ণ জলে বডি কোলন কিংবা বেদিং সল্ট মিশিয়েও স্নান করতে পারেন রাতে। এই অভ্যাসের উপকার রয়েছে অনেক। খুব বেশি গরম জলে স্নান করলে ত্বক রুক্ষ, শুষ্ক, জেল্লাহীন হয়ে যেতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন। গরম জল চুলেরও অনেক ক্ষতি করে। চুলের জেল্লা কমে যায়। চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যেতে পারে। সমস্যা দেখা দিতে পারেও স্ক্যাল্পেও। এর ফলে চুল পড়ার সমস্যাও বাড়তে পারে। 

রাতে ঠান্ডা জলে স্নান করলে মূল সমস্যা যেটা হতে পারে তা হল সর্দি লেগে যাওয়া। বিশেষ করে যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত রয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে রাতে স্নান করলে একেবারেই ঠান্ডা জল ব্যবহার করা যাবে না। রাতে স্নানের পর চুল শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত সরাসরি ফ্যানের তলায় থাকা কিংবা এসি ঘরে থাকা চলবে না। এর ফলেও কিন্তু দ্রুত ঠান্ডা লেগে সর্দি বসে যেতে পারে। শুরু হতে পারে হাঁচি-কাশির সমস্যা। 

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।