Bihar Elections Voting LIVE Updates: দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩৩ শতাংশ
Bihar Phase 1 Polling LIVE Updates, Bihar Assembly Elections 2020 Voter Turnout: বেকারত্ব থেকে শিল্পের অভাব, পরিযায়ী শ্রমিকের দুর্দশা থেকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, করোনা থেকে বন্যা, এমনকি সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু--- বিহার ভোটের প্রধান ইস্যুর বৈচিত্র্যে কোনও খামতি নেই।
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দLast Updated: 28 Oct 2020 05:23 PM

প্রেক্ষাপট
পটনা: অপেক্ষার শেষ। বিহারে শুরু ভোট-যুদ্ধ। নীতীশ-তেজস্বী-মোদি-রাহুলের ঝোড়ো প্রচারের পর এবার ভোটারদের মতপ্রকাশের পালা। নিউ নর্মালে আজ বিহারে প্রথম দফার নির্বাচন। ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভার ৭১টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফায়...More
পটনা: অপেক্ষার শেষ। বিহারে শুরু ভোট-যুদ্ধ। নীতীশ-তেজস্বী-মোদি-রাহুলের ঝোড়ো প্রচারের পর এবার ভোটারদের মতপ্রকাশের পালা। নিউ নর্মালে আজ বিহারে প্রথম দফার নির্বাচন। ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভার ৭১টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ কোটির কিছু বেশি। ভাগ্য নির্ধারণ হবে ১ হাজার ৬৬ জন প্রার্থীর। এবারের ভোটে বিজেপি-জেডিইউ জোটের সঙ্গে আরজেডি-কংগ্রেস-বামেদের জোটের টক্কর রয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী না দিলেও, নীতীশ কুমারের দলের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপির শরিক এলজেপি। বেকারত্ব থেকে শিল্পের অভাব, পরিযায়ী শ্রমিকের দুর্দশা থেকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, করোনা থেকে বন্যা, এমনকি সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু! বিহার ভোটের প্রধান ইস্যুর বৈচিত্র্যে কোনও খামতি নেই। কংগ্রেস-বিজেপি-নীতীশ-তেজস্বী, সবার কাছে বিহার ভোট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গত বছর মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ড দু’টি বড় রাজ্য বিজেপির হাতছাড়া হয়েছে। তাই বিহারে ক্ষমতা ধরে রাখাটা মোদি-অমিত শাহের কাছে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ১৫ বছর ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে নীতীশ কুমার। প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া কাটিয়ে বিহারের নম্বর ওয়ান নেতার কুর্সি ধরে রাখাটা নীতীশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর কংগ্রেসের মধ্যেই প্রশ্নের মুখে গাঁধী পরিবারের নেতৃত্ব। বিহারে বিপর্যয় হলে সনিয়া-রাহুলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সুর চড়তে পারে। আবার লালুবিহীন আরজেডির কাছে বিহার বিধানসভা ভোট কার্যত অস্তিত্বের লড়াই। লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর লালু-পুত্র তেজস্বীর কাছে এবারের ভোট মরণ-বাঁচন লড়াই। অন্যদিকে, পাল্টা লালু-রাবড়ি জমানায় বিহারের অবস্থার কথা মনে করিয়ে দিয়ে, আরও একবার বিহারবাসীর মন জয় করতে চাইছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, আরজেডি তাদের দুই মুখ্যমন্ত্রীর ছবি পোস্টারে না দিলেও, তাদের মানসিকতা কিন্তু পাল্টায়নি। ওরা আবার না ফিরে আসে। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের বিধানসভাওয়াড়ি ফল অনুযায়ী, বিহারের ২৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে ৯৬টি আসনে।২০১৫-র বিধানসভা নির্বাচনে তারা ৫৩টি আসন পেয়েছিল। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের বিধানসভাওয়াড়ি ফল অনুযায়ী, বিহারের ২৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে বিজেপির শরিক নীতীশ কুমারের দল এগিয়ে ৯২টি আসনে। ২০১৫-য় বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে লালু আর কংগ্রেসের হাত ধরে নীতীশের দল পেয়েছিল ৭১টি আসন। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের বিধানসভাওয়াড়ি ফল অনুযায়ী, বিহারের ২৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে লালুপ্রসাদের দল এগিয়ে মাত্র ৯ আসনে। ২০১৫-য় কিন্তু তারা পেয়েছিল ৮০টি আসন। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের বিধানসভাওয়াড়ি ফল অনুযায়ী, বিহারের ২৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে কংগ্রেস এগিয়ে ৫টি আসনে। ২০১৫-র বিধানসভা নির্বাচনে তারা ২৭টি আসনে জিতেছিল। অর্থাৎ লোকসভা নির্বাচনের ফল অনুযায়ী, এবারের বিহার বিধানসভা ভোটে নিঃসন্দেহে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি-নীতীশ কুমারের জোটের।কিন্তু, এক বছরের ব্যবধানে রাহুল-তেজস্বীর জোট তাদের ধাক্কা দিতে পারে কি না, কিংবা সংখ্যালঘু ভোট কেটে আসাদউদ্দিন ওয়েসির দল আদতে ফের একবার বিজেপির সুবিধা করে দেয় কি না, সেদিকেও নজর থাকবে সবার। প্রসঙ্গত, বিহারই হল দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই বিধানসভা ভোট হতে চলেছে। সেকথা মাথায় রেখে এক একটি বুথে সর্বাধিক ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৬০০ থেকে কমিয়ে ১ হাজার করা হয়েছে। ৮০ বছরের বেশি মানুষদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্র ও ইভিএম স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়াও থাকছে থার্মাল স্ক্যানিংয়ের ব্যবস্থা। বুথের প্রবেশ এবং প্রস্থানপথে থাকবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সাবানের ব্যবস্থা। ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মাস্ক পরা। বিহারে পরবর্তী দু’দফার ভোট ৩ ও ৭ নভেম্বর। ১০ নভেম্বর ফল ঘোষণা।