জলন্ধর: গীতায় বিষ্ণুর যে ১০ অবতারের কথা বলা হয়েছে, বিবর্তনের বিষয়ে তাঁদের তত্ত্ব চার্লস ডারউইনের চেয়ে উন্নত ছিল বলে দাবি করলেন অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জি নাগেশ্বর রাও। ১০৬-তম ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে তিনি বলেছেন, ‘মৎস্য অবতারের মাধ্যমে দশাবতারের সূচনা হচ্ছে। সেই অবতার একটি সামুদ্রিক প্রাণী। এরপর আসছে কুম্ভ অবতার। এটি উভচর প্রাণী যে জলের পাশাপাশি ডাঙাতেও থাকে। তৃতীয় অবতার হল বরাহ। এই সময় বিষ্ণু বরাহ রূপ ধারণ করে বিশ্বকে রক্ষা করেন। চতুর্থ অবতার হল নরসিংহ, যা অর্ধেক সিংহ ও অর্ধেক মানব। পঞ্চম অবতার হল বামন। এই অবতার সম্পূর্ণ মানুষ হলেও, পরিপক্কতার কিছুটা অভাব আছে। এরপরের অবতার নিখুঁত মানুষ রাম এবং তারপর আরও একটু জ্ঞানসম্পন্ন, যুক্তিবাদী ও রাজনীতিবিদের মতো কৃষ্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, কৃষ্ণ একজন রাজনীতিবিদ, রাম নন। এভাবেই বিবর্তন চলছে।’ নাগেশ্বর আরও বলেছেন, ‘পাশ্চাত্যের ধারণা অনুযায়ী মানুষের বিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আমাদের বিজ্ঞানে শুধু সামুদ্রিক প্রাণী থেকে মানুষে পরিণত হওয়ার কথা বলা হয়নি। আমাদের বিজ্ঞান এর ঊর্ধ্বে। বামন অবতারের সময় আমরা মানুষ হয়ে উঠেছিলাম, তবে এর পরবর্তীকালে আমরা পরিণত মানব হয়ে উঠি। আমাদের সাধুসন্তদের ভাবনা সুদূরপ্রসারী ছিল। সেই কারণেই তাঁরা দশাবতারের কথা বলেছিলেন। এই তত্ত্ব চার্লস ডারউইনের তত্ত্বের চেয়ে উন্নত। মহাভারতে কৌরবদের জন্ম হয়েছিল স্টেম সেল ও টেস্ট টিউব প্রযুক্তির মাধ্যমে। হাজার হাজার বছর আগেই ভারতীয়দের ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে জ্ঞান ছিল। রাম অস্ত্র ও শস্ত্র ব্যবহার করতেন। বিষ্ণু নির্দিষ্ট লক্ষ্যে সুদর্শন চক্র পাঠাতেন যেটি আঘাত করে মালিকের কাছে ফিরে আসত। রামায়ণে শুধু রাবণের পুষ্পক রথের কথাই বলা হয়নি, আরও ২৪ রকমের বিমানের বর্ণনা রয়েছে।’