চণ্ডীগড়: হরিয়ানার রেওয়ারিতে এক ১৯ বছরের তরুণীর গণধর্ষণের ঘটনার ১০ দিন পরে আজ এক সেনাকর্মী সহ দুই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ডিজিপি বি এস সাঁধু জানিয়েছেন, ‘সেনাকর্মী পঙ্কজ ও অপর অভিযুক্ত মণীশ এতদিন পলাতক ছিল। আজ তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে এ মাসের ১৬ তারিখ মূল অভিযুক্ত নিশুকে গ্রেফতার করা হয়। ফলে এই মামলায় সব অভিযুক্তই ধরা পড়ল।’ এ মাসের ১২ তারিখ ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। মেওয়াতের পুলিশ সুপার নাজনিন ভাসিনের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল গড়ে হরিয়ানা পুলিশ। অভিযুক্তদের সন্ধান দিতে পারলে এক লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টার। বিরোধী দলগুলি নৈতিক দায় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানায়। আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার অভিযোগে হরিয়ানায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি তোলে কংগ্রেস। তবে এরই মধ্যে সাফল্য পেল পুলিশ। তিন মূল অভিযুক্ত ছাড়াও সঞ্জীব নামে এক চিকিৎসক ও দীনদয়াল নামে অপর এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অত্যাচারের ফলে ওই তরুণীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় অভিযুক্তরাই সঞ্জীবকে ডেকে আনে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। যে ঘরে নিয়ে গিয়ে ওই তরুণীর গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ, সেটির মালিক দীনদয়াল। শুক্রবার হরিয়ানার মহেন্দ্রগড় জেলার একটি আদালত নিশুর পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ চারদিন বাড়িয়েছে। সঞ্জীব ও দীনদয়ালকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।