কখনও ভূমিকম্পের ভরকেন্দ্র নেপাল, কখনও দিল্লি , কখনও আবার বঙ্গোপসাগরের গভীরে। ফেব্রুয়ারিতে বারবার কেঁপে উঠেছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। মার্চের শুরুতেও ফের ভূমিকম্প ভারতে। এবার কাঁপল উত্তর-পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা। বুধবার, ৫ মার্চ, ০৩:৫৪ মিনিটে কেঁপে ওঠে মায়ানমার-ভারত সীমান্ত । রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৪.৫ । National Center for Seismology জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎসস্থল ছিল মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে। মণিপুরের চোংদান থেকে এটি ২৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ভূমিকম্পের ভরকেন্দ্র। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) এর দেওয়া তথ্য অনুসারে, বুধবার মায়ানমার-ভারত সীমান্ত অঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫.৮। 

ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে পরপর কয়েকটি ভূমিকম্প ঘটে ভারত ও তার পড়শি দেশগুলিতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, কয়েকঘণ্টার ব্যবধানে কেঁপে ওঠে দুই প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও পাকিস্তান। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, সেদিন রাত ২.৫১ নাগাদ নেপালে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৬.১।  ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সিন্ধুপালচক। কম্পন অনুভূত হয় ভারত, তিব্বত ও চিন সীমান্তেও। অন্যদিকে, তার কিছুক্ষণ পরেই ভোর ৫.১৪ নাগাদ কেঁপে ওঠে পাকিস্তান, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫।  

তার কয়েকদিন আগেই, ২৫ ফেব্রুয়ারি,  ভোরে কেঁপে ওঠে কলকাতা। কম্পন অনুভূত হয় ওড়িশা ও বাংলাদেশেও। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.১। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল কলকাতা থেকে ৩৪০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরের গভীরে।  ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, সেদিন সকাল ৬টা ১০ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। কলকাতা, দমদম, ডায়মন্ড হারবার-সহ দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া-সহ উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। 

আরও পড়ুন :  হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতেই ট্যাংরাকাণ্ডে গ্রেফতার প্রসূন দে, 'মৃত্যুর রাস্তা বেছে নিতে চাই..'!