নয়া দিল্লি: অপারেশন সিঁদুরের দ্বিতীয় পর্যায়ে বড়সড় প্রত্যাঘাত ভারতীয় সেনাবাহিনীর। পহেলগাঁও গণহত্যার পর ফের নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে পাক জঙ্গিদের ওপর প্রত্যাঘাত। এরই মধ্যে তিন সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর। বৈঠকে যোগ দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। এই বৈঠকে যোগ দেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান। এর আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
তবে কি বড় অ্যাকশনের পথে ভারত? এরই মধ্যে ভারত সরকারের তরফে জানান হয়েছে যে, কোনও জঙ্গি কার্যকলাপই যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, 'এ-দেশে যে কোনও জঙ্গি কার্যকলাপ ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে'।
সূত্রের খবর, পাক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আরও বড় লড়াইয়ের হুঙ্কার ভারতের। পাকিস্তানকে সবক শেখানোর কড়া বার্তা ভারতের। ৩ বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে ফের বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। NSA অজিত ডোভাল, CDS অনিল চৌহানের সঙ্গে বৈঠক করেন। এমনকী এদিন সন্ধে ৬টার সময় ভারতীয় সেনা-বিদেশমন্ত্রকের যৌথ সাংবাদিক বৈঠক আছে বলে খবর। নিরীহ ভারতীয়দের উপর পাক হামলা, আরও কড়া প্রত্যাঘাত?
ড্রোন ও মিসাইল দেগে ভারতকে জব্দ করার চেষ্টা মুখ থুবড়ে পড়েছে। সীমান্তে গোলাবর্ষণ করলে পাল্টা ভারতের জবাবে গুঁড়িয়ে যাচ্ছে নিজেদেরই চৌকি। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের পুরনো ও পরীক্ষিত রাস্তাতেই ফেরার চেষ্টা করল পাকিস্তান অর্থাৎ জঙ্গি ঢুকিয়ে ভারতকে রক্তাক্ত করা।
BSF সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে, জম্মুর সাম্বা সেক্টরে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে পাক মদতপুষ্ট ১২ জন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি। তারা যাতে বিএসএফ-এর চোখ এড়িয়ে ভারতে ঢুকে পড়তে পারে তার জন্য জঙ্গিদের কভার ফায়ার দিচ্ছিল পাক রেঞ্জার্স। কিন্তু তাদের অভিসন্ধি বুঝে যায় BSF, পাল্টা আঘাত হানে তারা।
এই পরিস্থিতিতেই এবার এই বড় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিল কেন্দ্র।
