নয়াদিল্লি: ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষ বিরতির মাঝে, অপারেশন স্বাভাবিক রয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরে। তবে নিরাপত্তার কড়াকড়ির জন্য, উড়ানের ওঠা নামায় প্রভাব পড়তে পারে, জানিয়েছে দিল্লি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেড (DIAL).

আরও পড়ুন, আজ পহেলগাঁওয়ে হামলার ২০ তম দিন, এখনও নাগালে আসেনি কেউ, অবশেষে পুলিশের স্ক্যানারে 'সন্দেহজনক বেশ কয়েকজন..' !

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনার কারণ দেশের বিমানবন্দরগুলিতে নিরাপত্তাজনিত একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। দিল্লি এয়ারপোর্ট এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছে, দিল্লি বিমানবন্দরের কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলছে। কোনও বাধা নেই। উড়ান চলাচলের গতি এবং নিরাপত্তা প্রোটোকল পরিবর্তনের কারণে কিছু উড়ানের সময়সূচিতে প্রভাব পড়তে পারে। যাত্রীদের নিজ নিজ উড়ান সংস্থার আপডেটের দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে।এবং পাশাপাশি চেক ইন লাগেজ এর নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে।

মূলত ভারত পাকিস্তানের উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর, দেশের বিমানবন্দরগুলিতে কড়া সতর্কতা জারি করা হয়। রাতারাতি বাড়িয়ে দেওয়া হয়, নিরাপত্তা বলয়। যদিও শনিবার সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণা হলেও সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। তাই বলার অপেক্ষা রাখে না, সতর্কতার বেড়াজালে রাখা হয়েছে এয়ারপোর্ট থেকে শুরু করে বায়ু সেনা ঘাঁটিগুলিকেও।

শ্রীনগর, জম্মু, লেহ্, অমৃতসর, ধর্মশালা-সহ ৯টি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ভুজ, জোধপুর, জামনগর, চণ্ডীগড়, রাজকোটেও বিমান ওঠানামা বন্ধ থাকে। সংঘর্ষবিরতি ঘোষণার পর গত পরশু রাতে পুনে বিমানবন্দরে ব্ল্যাকআউট করে চালানো হয় মহড়া।  জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে মোকাবিলা করবে বিমানবন্দর, এটাই ছিল এই মহড়ার মূল লক্ষ্য।

 শনিবার রাত ৮ টা ২৫ মিনিটে পুনে বিমানবন্দরের সমস্ত আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় রাত ৮ টা ৪৫ মিনিট অবধি চলে এই মহড়া।  যে সময়টায় এই ব্ল্যাকআউট চলছিল, বিমানবন্দরে যে সকল উড়ান অবতরণের অপেক্ষায় ছিল, তাঁদেরকে সেই ২০-৩০ মিনিট ঘোরাফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিমানবন্দর পরিচালক সন্তোষ ধোক জানিয়েছেন, ব্ল্যাকআউট ড্রিল সফল হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের ১৫টি সেনা ছাউনিকে টার্গেট করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু সব অপচেষ্টা মাঝ আকাশেই ব্যর্থ করে দিল ভারতের আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, S-400। আর তারপর ভারতের পাল্টা ড্রোন হামলায় বিকল হয়ে যায় চিন থেকে আনা লাহৌরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহৌরের পাশাপাশি ভারতের ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাওয়ালপিণ্ডিতে। এখানেই পাকিস্তান সেনার সদর দফতর। এছাড়াও ড্রোন হামলা চলেছে গুজরানওয়ালা, ঘোটকি, অটক-সহ একাধিক এলাকায়।