মুম্বই : সুপ্রিম কোর্টের ( Supreme Court ) নির্দেশের পর, শিণ্ডে শিবিরে গরিষ্ঠতা প্রমাণে তত্পরতা। উদ্ধব সরকারের বিরুদ্ধে যেকোনও সময় আসতে পারে অনাস্থা প্রস্তাব, খবর বিজেপি সূত্রে। সূত্রের খবর, জল্পনা উসকে গুয়াহাটির হোটেলের বুকিং ৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়েছে বিদ্রোহী শিবির! মত বদলের আশঙ্কা করছেন একনাথ শিণ্ডেমঙ্গলবারও আইনি রণকৌশল স্থির করতে দফায় দফায় বৈঠকে বসবেন বিদ্রোহী বিধায়করা ( Maharashtra Crisis )। উপস্থিত থাকতে পারেন আইনজীবীরাও। সূত্রের খবর, শিণ্ডে শিবিরে এই মুহূর্তে রয়েছেন ৩৯ জন শিবসেনা বিধায়ক। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের সংখ্যা হাতে থাকলেও এর মধ্যেই কয়েকজনের মত বদলের আশঙ্কা করছেন একনাথ শিণ্ডে। তাই উদ্ধব শিবির ( Uddhav Thackeray ) থেকে আরও কয়েকজন বিধায়ককে নিজের দিকে টেনে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতা। অন্যদিকে, নিজেদের বিধায়কদের মুম্বইতেই থাকতে নির্দেশ দিয়েছে বিজেপি।
উদ্ধব ঠাকরেকে চিঠি রাজ্যপালের২১-২৫ জুনের মধ্যে ২০০-রও বেশি সরকারি নির্দেশনামা জারি করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। যার অধিকাংশই প্রশাসনিক নির্দেশ। সংখ্যালঘু সরকার প্রশাসনিক নির্দেশ জারি করতে পারে না, এই মর্মে রাজ্যপালকে নালিশ জানিয়েছে বিজেপি। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে বিস্তারিত তথ্য চাইলেন রাজ্যপাল। যদিও সরকারপক্ষের দাবি, কোথাও প্রমাণ হয়নি তারা সংখ্যালঘু। আরও পড়ুন : একদিনে আক্রান্ত পাঁচশোরও বেশি, লাফিয়ে বাড়ল পজিটিভিটি রেট
টানাপোড়েন এখনও অব্যাহতএক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। কিন্তু, মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক টানাপোড়েন এখনও অব্যাহত। এই প্রেক্ষাপটে বিদ্রোহীদের মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে, চাপ তৈরির মরিয়া চেষ্টা করলেন উদ্ধব ঠাকরে। অন্যদিকে, উদ্ধবের ওপর পাল্টা চাপ তৈরি করতে জোড়া কৌশল নিল একনাথ শিণ্ডে শিবির।সোমবার সুপ্রিম কোর্টে একনাথ শিণ্ডে শিবির জানায়, মহারাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে মহাবিকাশ অঘাড়ি জোট।
কী জানাল সুপ্রিম কোর্ট
মহারাষ্ট্র বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার, একনাথ শিণ্ডে-সহ ১৬ জন বিদ্রোহীকে, বিধায়ক পদ খারিজের নোটিস পাঠান। সোমবারের মধ্যে তাঁদের উত্তর দিতে বলা হয়েছিল। এই নোটিসকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানায় শিণ্ডে শিবির। সোমবারই শিণ্ডে শিবিরকে স্বস্তি দিয়ে, সুপ্রিম কোর্ট সেই সময়সীমা আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং জে বি পাড়িয়ালার ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার বিদ্রোহী বিধায়কদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকারকে। বিদ্রোহী বিধায়দের বিরুদ্ধে ১১ জুলাই পর্যন্ত দলত্যাগ বিরোধী আইনে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।