নয়াদিল্লি : জন্ম ম্যাসিডোনিয়ার স্কপিয়েতে। সেখানেই বড় হওয়া। আঠারো বছর বয়সে সিদ্ধান্ত সন্ন্যাস নেওয়ার। পথ চলার সেই শুরু। তারপর ম্যাসিডোনিয়া থেকে কলকাতা। সেই নারী ধীরে ধীরে হয়ে গেছেন এই বাংলার, এই দেশের। কাজের মাধ্যমে মাদার টেরেজা নিজেকে করে তুলেছিলেন বিশ্বশান্তির প্রতীক। সেই জন্য নোবেল পুরস্কারও পান তিনি। সারা বিশ্বের কাছে আদর্শ, এই মানুষটি শহর কলকাতার বড় আপন। বড় নিজের । তাঁর স্নেহচ্ছায়ায় আশ্রয় পেয়েছেন অগণিত মানুষ। আজ, ২৬ অগাস্ট সেই মাদারের জন্মদিন। নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে মাদারের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, হরদীপ পুরী। তিনি লেখেন, ''ভারতরত্ন এবং নোবেল বিজয়ী মাদার টেরেজাকে তাঁর জন্মবার্ষিকীতে স্মরণ করছি। তিনি 'নির্মল হৃদয়' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং মানব সেবায় তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।''
১৯৫০-এর ৭ অক্টোবর তাঁর হাতে তৈরি হয় মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তার পর এক বিশাল যাত্রাপথ। মাদারের চেষ্টায় একে একে তৈরি হয় ‘নির্মল হৃদয়’, ‘শিশু ভবন’, ‘প্রেমদান’, ‘দয়াদান’। তাঁর তৈরি কুষ্ঠরোগীদের আশ্রম এক বিরাট কর্মকাণ্ড। তাঁর ছাতার নিচে একটু আশ্রয়ের জন্য ছুটে আসতেন সারা বিশ্বের মানুষ। তারই স্বীকৃতিতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ১৯৭৯ সালে। ভারত সরকার তাঁকে ভারতরত্ন সম্মান দেয়। তাঁর বিখ্যাত উক্তি, ‘‘বিশ্ব শুধু রুটির জন্য ক্ষুধিত নয়, প্রেমের জন্যও বটে৷’ - যে প্রেম তিনি সারাজীবন বিলিয়েছেন। তাই আজও কলকাতার মানুষের কাছে তিনি মাদার।