কলকাতা: দোরগড়ায় ছাব্বিশের ভোট। ফের কোন বিধানসভা কে দাঁড়াতে পারেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। কারণ একুশের বিধানসভা ভোটে,  নন্দীগ্রামে শুভেন্দু বিপরীতে দাঁড়ানো নিয়ে মমতার সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত আজও হট টপিক। বলাইবাহুল্য  এবার হেভিওয়েটদের কে কোথায় দাঁড়াতে পারেন,  ভোটের সেই রণনীতি নিয়ে গুঞ্জনের অন্ত নেই। ঠিক এমনই সময় জল্পনার আগুনে পড়েছে ঘি !  কে কাকে পরাজিত করবেন, এর থেকে কে কোথায় দাঁড়িয়ে কাউকে পরাজিত করবেন, এনিয়ে চ্যালেঞ্জ ছোঁড়াছুড়ি চলছে শাসক-বিরোধী দুতরফেই। যদিও এবার নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করলেন অভিষেক বন্দ্যোাপধ্যায় (Abhishek Banerjee)। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, আখতার আলিকেই অভিযুক্ত দেখিয়ে CBI-র চার্জশিট, RG কর মেডিক্যালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন তিনিই !

Continues below advertisement

প্রশ্ন:  সুকান্ত মজুমদার একটা নতুন কথা বলতে শুরু করেছেন, আপনি নাকি নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন..  

 অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় : সুকান্ত মজুমদারকে বলুন, ওটার ওনার মনে সুপ্ত বাসনা হতে পারে। তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয়টা তৃণমূলের উপর ছেড়ে দিক।  আমাকে দল যেভাবে কাজে লাগাবে, আমি সেখানে সেইভাবে কাজ করব।  দল যদি আমাকে বলে, নন্দীগ্রামে দাঁড়াও, আমি দাঁড়াব। দল যদি আমাকে বলে দার্জিলিঙে দাঁড়ায়, আমি দাঁড়াব।  আমি অন রেকর্ড বলছি।

অপরদিকে, সুকান্ত মজুমদার বলেন, যে পুলিশের অফিসারদের টান্সফার অর্ডারগুলি বেরিয়েছে, তাতে দেখতে পাচ্ছি,  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছের কিছু মানুষের,  তাঁদের ট্রান্সফার করা হয়েছে, তমলুকে, যেখানে নন্দীগ্রাম বিধানসভা আছে। বোঝাই যাচ্ছে, যে তাঁর মনে একটু হলেও বাসনা আছে।'

কয়েক মাস পরই বিধানসভা ভোট। আপাতত এসআইআর আঁচে ফুটছে রাজনীতি! বিজেপি দাবি করছে, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটানোর!পাল্টা এসআইআর নিয়ে বারবার বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের যোগসাজোশের অভিযোগ করলেও, ফের জয়ের বিষয়ে আশাবাদী অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন , যারা বলছে যে SIR হলে তৃণমূলকে দেখা যাবে না, তৃণমূলকে পাওয়া যাবে না। আরে তৃণমূলের ভোট শতাংশও বাড়বে, আসন সংখ্যাও বাড়বে। আমি এক মাস আগে চ্যালেঞ্জ করেছি, বিজেপির নেতারা গ্রহণ করছে না কেন? আপনি (চ্যালেঞ্জ) গ্রহণ করুন। তৃণমূলের যদি আসন সংখ্যা না বাড়ে, আপনারা যা শাস্তি দেবেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মেনে নেবে। আর তৃণমূলের যদি আসন সংখ্যা বাড়ে, আমরা কোনও শাস্তি দেব না। মাথা নিচু করে ক্ষমা চেয়ে বাংলার ২ লক্ষ কোটি টাকা ৭ দিনে বিজেপি নেতাদের ছাড়তে হবে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন।'