প্রকাশ সিন্হা, সত্যজিৎ বৈদ্য ও রঞ্জিত সাউ, কলকাতা: পানশালার আড়ালে নারী পাচার? তদন্তে নেমে একসঙ্গে কলকাতার ৭ জায়গায় অভিযান চালাল ED। সল্টলেকের ব্যবসায়ী জগজিৎ সিং-সহ ৩ ব্যবসায়ীর বাড়ি-সহ একাধিক ঠিকানায় চলে ম্যারাথন অভিযান। তল্লাশি চলে ব্যবসায়ী ঘনিষ্ঠ এক ইঞ্জিনিয়ারের নাগেরবাজারের ফ্ল্যাটেও।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, উৎসব মরশুম শেষ হতেই চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি, নতুন করে আক্রান্ত ১ হাজার ৬৩২ জন !

Continues below advertisement

কলকাতায় ফের ED-র অ্যাকশন! শুক্রবার সল্টলেক, নাগেরবাজার-সহ মহানগরের বিভিন্ন জায়গায় দিনভর তল্লাশি চালাল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। পানশালার আড়ালে নারী পাচারের অভিযোগের তদন্তে সকাল থেকে চলে ওই ম্যারাথন অভিযান। ED সূত্রে খবর, ২০১৫ সালের একটি FIR-এর ভিত্তিতে তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তল্লাশি চালানো হয় জগজিৎ সিং, আজমল সিদ্দিকি, বিষ্ণু মুন্দ্রা নামে কলকাতার  ৩ ব্যবসায়ীর বাড়িতে। এর মধ্যে ব্যবসায়ী আজমল সিদ্দিকি একসময় তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সেক্রেটারি ছিলেন বলেও ED সূত্রে খবর। ED সূত্রে খবর, কলকাতা জুড়ে একাধিক জায়গায় ওই ৩ ব্যবসায়ীর একাধিক পানশালা রয়েছে। 

অভিযোগ, সেই পানশালার আড়ালে তাঁরা নারী পাচার ও টাকা নয়ছয়ের কাজে জড়িত রয়েছেন। ২০১৫ সালে বিধাননগরের একটি থানায় করা FIR-এর ভিত্তিতে চলছে এই তল্লাশি। একই সময়ে ওই ব্যবসায়ীদের ঘনিষ্ঠ, পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার গৌতম সরকারের ফ্ল্যাটেও। ED সূত্রে খবর, পানশালার ব্যবসার আড়ালে মহিলা পাচারের কারবার করে বিপুল টাকা নয়ছয় করা হয়েছে।দুর্নীতির ওই টাকা ঘুরপথে কোথায় পৌঁছেছে? প্রোটেকশন মানি পেয়েছেন কারা ? এসবেরই তদন্তে শুক্রবার একসঙ্গে ৭ জায়গায় তল্লাশি চালান ED আধিকারিকরা।ED সূত্রে খবর, কলকাতার পাশাপাশি এই মামলায় তল্লাশি চালানো হয় শিলিগুড়িতেও।

প্রসঙ্গত, বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, গোটাটাই সংগঠিত অপারেশন'। বালি পাচার মামলায়, এবার আদালতে বিস্ফোরক দাবি ED-র।GD মাইনিং কোম্পানিতে এমন অনেক ডিরেক্টর ছিলেন, যাঁরা শুধু নামেই ছিলেন ডিরেক্টর। পূর্ব মেদিনীপুরে ৩টি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম আর বাঁকুড়াতেও সাইট আছে এই কোম্পানির।  সংস্থার কাছ থেকে বালি বিক্রি বা রয়্যালটির পুরো হিসেবে এখনও পাওয়া যায়নি।গতকাল বালি পাচার মামলায় প্রথম গ্রেফতার করে ED। গ্রেফতার করা হয় জি ডি মাইনিং কোম্পানির প্রধান অরুণ শরাফকে। ২৯ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্তও করা হয়েছে, খবর ED সূত্রে। ভুয়ো চালান তৈরি করে বালি পাচারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।