Meghalaya Coal Mine Blast: ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে মেঘালয়ের একটি কয়না খনিতে। জানা যাচ্ছে, মেঘালয়ের পূর্ব জয়ন্তীয়া পাহাড় জেলার ওই কয়লা খাদান আদতে বেআইনি ছিল। সেখানেই ভয়াবনক বিস্ফোরণ ঘটে। সেই সময় ভিতরে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। আটকে পড়েন প্রচুর শ্রমিক। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন প্রচুর মানুষ। উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহতের সংখ্যাও বাড়তে পারে বলে অনুমান। মেঘালয় পুলিশের ডিজিপি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ১৬ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়া ওই খাদান থেকে। বিস্ফোরণের সময় খাদানে কত শ্রমিক কাজ করছিলেন এবং আটকে পড়েছিলেন তার নির্দিষ্ট সংখ্যা এখনও স্পষ্ট নয়। এখনও ভিতরে অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স অর্থাৎ এনডিআরএফ, যাকে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দল বলা হয়, তাদের তিনটি দল মেঘালয়ের পূর্ব জয়ন্তীয়া হিলস জেলার ওই কয়লা খাদান যেখানে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেখানে উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
জোরকদমে উদ্ধাকাজ চালাচ্ছে একাধিক দল। চলছে তল্লাশি অভিযান। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে থাংস্কু এলাকার ওই কয়লা খনিতে কাজ চলাকালীন বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে খবর। শোনা গিয়েছে, বেআইনি ভাবেই তৈরি হয়েছিল এই কয়লা খাদান। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। সকালের দিকে একজন আহত ব্যক্তিকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল Sutnga Primary Health Centre- এ। পরে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে তাঁকে স্থানান্তর করা হয় শিলং হাসপাতালে। এই তথ্য জানিয়েছেন, ইস্ট জয়ন্তীয়া হিলস পুলিশের এসপি বিকাশ কুমার। বিস্ফোরণ হওয়া কয়লা খনি সত্যিই বেআইনি কিনা, এই প্রসঙ্গে এসপি কুমার জানিয়েছেন, আপাতত সেটাই মনে হচ্ছে। কেন বিস্ফোরণ ঘটেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। সব খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এই পুলিশকর্তা।
