নয়াদিল্লি: Operation Sindoor এখনও চলছে। তবে গোপন রাখা হয়েছে অভিযান সংক্রান্ত তথ্য। পাকিস্তানি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান নিয়ে জানাল ভারতীয় বায়ুসেনা। বলা হয়েছে, জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে নির্দিষ্ট লক্ষ্য়ে গোপন অভিযান চলছে। বেছে বেছে আঘাত হানা হচ্ছে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে। বায়ুসেনা নিজের দায়িত্ব পালন করে চলেছে। (Operation Sindoor)
রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় Operation Sindoor নিয়ে আপডেট দিল ভারতীয় বায়ুসেনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তারা লেখে, 'নির্ভুল ভাবে, পেশাদারিত্বের সঙ্গে Operation Sindoor-এ নিজের দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে সুচিন্তিত ভাবে, বিচক্ষণতার সঙ্গে অভিযান চালানো হয়েছে'। (India-Pakistan Conflict)
পাকিস্তানে থেকে মদতপ্রাপ্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান এখনও শেষ হয়নি বলে স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। তারা বলে, 'অভিযান যেহেতু এখনও চলছে, সময় মতো সেই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হবে সকলের সামনে। তা না হওয়া পর্যন্ত জল্পনা-কল্পনা থেকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে সকলকে। যাচাই না করে তথ্য ছড়াবেন না'।
শনিবারই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হয়। আমেরিকার মধ্যস্থতায় দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু বিকেল ৫টা থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, ঘণ্টা তিনেক পেরোতে না পেরোতেই ফের ভারতের আকাশে ঢুকে পড়ে পাকিস্তানি ড্রোন।
এমন পরিস্থিতিতে গতকাল রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে জরুরি বৈঠক হয়। নর্থ ব্লকে বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিবরা। প্রতিটি রাজ্যে সিভিল ডিফেন্স আরও জোরদার করতে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এবার ঘরের নিরাপত্তায় নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতিতে আমেরিকার খবরদারি কেন মেনে নিল কেন্দ্র, তা নিয়ে যদিও প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। সেই আবহে এদিন ফের ট্রাম্প ভারত ও পাকিস্তানকে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন। কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ আমেরিকার এই অতি সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভারত ও পাকিস্তানের হয়ে একতরফা ভাবে আমেরিকা যেভাবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করল, ভারত ও পাকিস্তানকে নিয়ে নিরপেক্ষ জায়গায় যে আলোচনার কথা বলা হচ্ছে, কেন তৃতীয় পক্ষকে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ করে দেওয়া হল, প্রশ্ন তুলেছেন জয়রাম। ঠিক কী কথা হয়েছে ট্রাম্পের সঙ্গে, কী প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছে, তা প্রধানমন্ত্রীকে খোলসা করতে হবে বলে দাবি তুলেছেন তিনি।