নয়াদিল্লি: পাকিস্তান ড্রোনের মাধ্যমে পঞ্জাব সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে অস্ত্র পাঠাচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামছে জাতীয় তদন্ত এজেন্সি (এনআইএ)। সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে ড্রোন ব্যবহার করে ভারতে অস্ত্র পাচারের কয়েকটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তারা নড়েচড়ে বসেছে। পঞ্জাব পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল দিনকর গুপ্তা জানিয়েছেন, ওই ড্রোন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই ও তাদের নির্দেশে পরিচালিত ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া খালিস্তানপন্থী, জেহাদি গোষ্ঠীগুলি পাঠিয়েছিল। ওই ড্রোনেই ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে অস্ত্রশস্ত্র পাঠানো হয়েছে বলে তাঁদের সন্দেহ। গত ২২ সেপ্টেম্বর পুনরুজ্জীবিত খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্সের (কেজেডএফ) একটি সন্ত্রাসবাদী মডিউল ফাঁস করা হয়েছে বলে দাবি করে পঞ্জাব পুলিশ। কেজেডএফকে মদত দেয় পাকিস্তান ও জার্মানিতে ঘাঁটি গেড়ে থাকা একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন যারা পঞ্জাব ও সংলগ্ন রাজ্যগুলিতে দফায় দফায় সন্ত্রাসবাদী হামলার চক্রান্ত করছে। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহ এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আবেদন করেন, তাঁর রাজ্যে পাকিস্তান থেকে ড্রোন ব্যবহার করে অস্ত্রশস্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম ফেলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে, এটা সুনিশ্চিত করুন। তিনি ট্যুইট করেন, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ করে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর পাকিস্তানের ‘নানা অশুভ পরিকল্পনা’র অন্যতম হল ড্রোনে অস্ত্রশস্ত্র পাচার। এধরনের ড্রোনের ফলে সীমান্ত রাজ্যটিকে আর কোনও বিপদ থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভারতীয় বায়ুসেনা ও বিএসএফকে নির্দেশ দিতেও কেন্দ্রকে আবেদন করেন তিনি।