ঠিক কী হয়েছিল মৃত শিশুদের? এক সন্তানহারা বাবা, আকাল শেখ বলেছেন, ‘দুপুরের দিকে বমি শুরু হয়েছিল। প্রথমে আমরা বসোয়া ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাই। সেখান থেকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতের দিকে সেখানেই ছেলের মৃত্যু হয়েছে।’
গ্রামের বাসিন্দা রেমি বিবি বলেছেন, ‘যেভাবে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে তাতে আমরা আতঙ্কিত। তাই বাড়ির শিশুদের অন্যত্র সরিয়ে দিয়েছি।’
স্বাস্থ্য দফতরের বক্তব্য, এলাকার ১৩১জন শিশুর করোনা টেস্ট করা হয়। প্রত্যেকেরই রিপোর্ট নেগেটিভ অসেছে। রবিবারই গ্রামে যায় জেলার স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি দল। জলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। রামপুরহাটের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পার্থ দে বলেছেন, ‘শিশুরা কী রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এখনও জানা যায়নি। তবে করোনা নয়। কারণ ১৩১ জন শিশুর করোনা টেষ্ট হয়েছে। সকলের নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে।’
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, কলকাতা থেকে মঙ্গলবার এই গ্রামে যাবেন তাদের প্রতিনিধি দল। মৃত্যুর কারণ জানতে নাইসেডে পাঠানো হবে নমুনা।