অপর একটি ট্যুইটে ডঃ হর্ষবর্ধনের সংযোজন, ”সকলকে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে পৃথিবী আমার সবথেকে প্রিয় মানুষ, আমার মা চিরবিদায় নিয়েছেন। ওঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। আজ সকালেই উনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন…।. আমার পথ প্রদর্শক চলে যাওয়ার পর আমার জীবনে নিঃসন্দেহ এমন এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে যা কখনও ভরাট হওয়া সম্ভব নয়। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ডঃ হর্ষবর্ধনকে সমবেদনা জানিয়েছেন বহু মানুষ। তাঁর মায়ের চক্ষু ও দেহদানের সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করে তাঁর আত্মার চিরশান্তি কামনা করেছেন রাজনীতিক থেকে সাধারণ মানুষ। শেষ ইচ্ছা, মায়ের চক্ষু ও দেহদান করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ হর্ষবর্ধন
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দ | 07 Sep 2020 04:04 PM (IST)
ট্যুইটে ডঃ হর্ষবর্ধনের সংযোজন, ”সকলকে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে পৃথিবী আমার সবথেকে প্রিয় মানুষ, আমার মা চিরবিদায় নিয়েছেন। ওঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। আমার পথ প্রদর্শক চলে যাওয়ার পর আমার জীবনে নিঃসন্দেহ এমন এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে যা কখনও ভরাট হওয়া সম্ভব নয়।
নয়াদিল্লি: প্রয়াত মায়ের ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে তাঁর দুটি চোখ দিল্লির এইমস হাসপাতালে দান করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ হর্ষবর্ধন। দান করা হচ্ছে তাঁর পার্থিব দেহটিও। প্রসঙ্গত, ডঃ হর্ষবর্ধনের মা রবিবার সকালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। টুইট করে ডঃ হর্ষবর্ধন লেখেন, “হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আমার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। পূজনীয় মাতাজির ইচ্ছা অনুসারে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই দিল্লির এইমসে ওঁর চক্ষু দান করা হয়েছে। আজ দুপুর তিনটেয় আমি তাঁর পার্থিব শরীর মৌলানা আজাদ মেডিকেল কলেজকে দান করব। তাঁর দেহদান আমাদের সবাইকে সবসময় সমাজের জন্য বাঁচার প্রেরণা দেবে।”