জোহানেসবার্গ: মর্গে জীবিত অবস্থায় দেখা গেল পথ দুর্ঘটনায় নিহত ঘোষিত ২৮ বছরের যুবক! এমনই আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। গত ৫ ডিসেম্বর ডারবানের কোয়ামাসুর বাসিন্দা এমসিজি এমখিজিকে বাড়ি ফেরার পথে  একটি গাড়ি ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিত্সাকর্মীরা। এরপর তাঁর দেহ ফোনিক্স মর্গে পাঠানো হয়। সেখানে রেফ্রিজারেটরে দেহ রাখা হয়। আশ্চর্য ঘটনা ঘটে এর ২৪ ঘন্টা পরে। পরিবারের লোকজন পরের দিন মর্গে এমসিজি-র দেহ দেখতে গিয়ে চমকে যান। তাঁরা দেখেন, এমসিজি-র শ্বাসপ্রশ্বাস চলছে। সঙ্গে সঙ্গে মর্গের কর্মীরা এমসিজি-কে মহাত্মা গাঁধী হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে পাঁচ ঘন্টা পর তাঁর মৃত্যু হয়। এখন এমসিজি-র পরিবার জানতে চাইছেন, এমন মহাভুল কীভাবে হল এবং তাঁকে আগে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কি বেঁচে যেতেন? এমসিজি-র বোন এইচলোবিসিলের প্রশ্ন, যিনি মৃত ঘোষণা করেছিলেন তাঁর কী এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে? পরিবারের লোকজন এখন শোকে বিহ্বল। এমসিজি-র বাবা পিটার বলেছেন, তাঁর ছেলের প্রতি যা হয়েছে তা বলার মতো অবস্থায় তিনি নেই। যেভাবে এমসিজি-কে মর্গের রেফ্রিজারেটরে পুরো রাত ও পরের দিন সকাল পর্যন্ত রাখা হল তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেছেন, তাঁরা মর্গে সকাল আটটা নাগাদ পৌঁছেছিলেন। বারোটা নাগাগ মর্গের এক কর্মী চিকিত্সককে জানান যে, এসমিজি বেঁচে রয়েছে। প্রাদেশিক পুলিশের মুখপাত্র ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন।ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।