পাটনা: বিহারের মুজফ্ফরপুর জেলার বেশ কয়েকটি বাড়ি থেকে চুরির ঘটনায় এক ভিখিরি (Viral News) জড়িয়ে, এমন অভিযোগ আসতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। আর সেই ভিখিরির বাড়িতে হানা (Bihar News) দিয়ে চমকে গেল পুলিশরা। এক লাখেরও বেশি দামের কেটিএম বাইক, ১২টি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন দেশের রুপোর মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে যার মধ্যে একটি মুদ্রা ছিল ব্রিটিশ শাসনকালের।
স্থানীয় পুলিশ সুপার বিদ্যা সাগর বলেন, 'এলাকার বাসিন্দারা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন যে নীলম দেবী নামের এই মহিলা একজন ভিখিরি ছিলেন যিনি এলাকার মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে ভিক্ষা চাইতেন। এমনকী তিনি মশারি বিক্রিও শুরু করেছিলেন। তবে সেই ভিখিরির আসল উদ্দেশ্য ছিল চুরির লক্ষ্য স্থির করা। তিনি দিনে এই জায়গা নির্বাচন করে আসতেন এবং রাতে তার জামাই বেরিয়ে টার্গেট করা বাড়িতে চুরি করত। নীলম দেবীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তার জামাই চুটুক লাল এখন পলাতক, পুলিশ তাঁকে খুঁজছে। নীলম দেবী পুলিশকে জানিয়েছেন যে উদ্ধার হওয়া সমস্ত জিনিস আসলে তার জামাইয়ের। পুলিশ সন্দেহ করছে যে তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা কেটিএম বাইকে করেই চুরি করেছেন তার জামাই।
উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১২টি মোবাইল ফোন, নেপাল, আফগানিস্তান, কুয়েতের কয়েন, একটি সোনার চেইন সহ অন্যান্য সোনার গয়না ইত্যাদি। পুলিশ সুপার মিস্টার সাগর বলেন, 'সেই মহিলার জামাই এখন পলাতক আর তাঁকে গ্রেফতার করতে পারলেই এই চুরির চক্রের সমস্ত মাথাগুলিকে গ্রেফতার করা যাবে। কীভাবে এই বিদেশি মুদ্রাগুলি এল তার বাড়িতে, তা তদন্ত করছে পুলিশ। মহিলাকে থানায় হেফাজতে রাখা হয়েছে।'
গত সোমবার ইন্দোরের লাসুডিয়া থানার অধীনে এক মন্দিরের সামনে বসে থাকা ভিখিরিকে ১০ টাকা দিতেই সেই গাড়িচালককে গ্রেফতার করে পুলিশ। রাজ্য প্রশাসনের ভিখিরি উৎখাত দলের এক আধিকারিকের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের রাজ্য প্রশাসন ইন্দোরকে ভারতের প্রথম ভিখিরি-মুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। আর তাই সমগ্র রাজ্যে ভিক্ষা করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, ভিখিরিকে ভিক্ষা দেওয়া বা কোনো জিনিস কিনে দেওয়াও নিষিদ্ধ হয়েছে সমগ্র রাজ্যজুড়ে।
আরও পড়ুন: Gold Price: একইদিনে দু'বার বদল সোনার দামে, এখন সোনা কিনতে গেলে কমবে খরচ ?