কলকাতা: একটা বছরের শেষ মানে আরেক বছরের শুরু। হাসি-কান্না-ভাল লাগা-খারাপ লাগা এই সব নিয়েই বর্ষবিদায়। সোশাল মিডিয়ার দৌলতে এখন ভাইরাল হয়ে পড়ে যে কোনও ঘটনা। অনেকসময় তা কোনও সংলাপ, অনেক সময় কোনও ছবি, কোনও মিম, নেটে জনপ্রিয় হলেই তা হয় ভাইরাল। কোনওটি আনন্দদায়ক, কোনওটি আবার উস্কে দিয়েছে বিতর্কের। বছরভর ভাইরাল হওয়া তেমনই কিছু খবর এক ঝলকে-
মেট্রো স্টেশনে চুম্বন
সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় তোলপাড় ফেলে দিয়েছে কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে পিলারের পাশে দাঁড়িয়ে এক যুগলের চুম্বনের ভিডিও। মেট্রো স্টেশনে চুমু খাওয়া কি ঠিক , নাকি ঠিক না ? এ নিয়ে জোর বিতর্কও চলেছে। নেটিজেনদের একাংশ দাবি করেছেন যে প্রকাশ্যে চুমু খেয়ে ঠিক কাজ করেননি যুগল। তাদের নীতিপুলিশ বলে কটাক্ষ করে নেটিজেনদের আরেক দল আবার বলছেন,চুমু খাওয়া কি অন্যায় নাকি? তবে ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা অবশ্য যাচাই করেনি এবিপি আনন্দ।
রাজুদার পকেট পরোটা
ফেসবুক হোক বা ইনস্টাগ্রাম- খুললেই যে রিল চোখে পড়বে হল ' ৩০ টাকা, ৩০ টাকা এক প্লেটে তিনটি পরোটা, সবজি, সেদ্ধ ডিম, পিঁয়াজ ও কাঁচালঙ্কা, ট্রেনের টিকিটের থেকেও কম দাম'। এটা রাজুদার ডায়লগ। যা জনপ্রিয় হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। শিয়ালদা চত্বরে পরোটা বিক্রেতা রাজু ভাইরাল তার 'পকেট পরোটা' বিক্রি আর বাচনভঙ্গি নিয়ে। তার জেরেই ইউটিউবারদের ভিড় যেমন রোজ লেগেই আছে তেমন বিতর্কও কম হয়নি। সব নিয়েই এ বছরে ভাইরাল রাজুদার পরোটা।
ঋতুপর্ণার শঙ্খনিনাদ
আরজি কর-এর ঘটনার পর প্রতিবাদে মুখর হয়েছিল গোটা বাংলা। স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে 'Reclaims the Night' এ জড়ো হয়েছিলেন মহিলারা। আওয়াজ উঠেছিল 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস'-এর। সেই সময়ে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত একটি শাঁখ বাজানোর ভিডিও শেয়ার করেন। যা দেখে নেটিজেনদের দাবি ছিল মিউজিক সিস্টেমে শঙ্খধ্বনি বাজিয়ে মুখে শাঁখ নিয়ে অভিনয় করছিলেন তিনি। তুমুল বিতর্ক নিয়েই ভাইরাল হয় ভিডিওটি।
রচনার 'ধোঁয়া ধোঁয়া' মন্তব্য
সিঙ্গুরে প্রচারে গিয়ে বাংলা টেলিভিশনের ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ বলেছিলেন “আমি যখন এলাম দেখলাম অনেক কারখানা হয়েছে। চিমনি থেকে শুধু ধোঁয়াই ধোঁয়া, রাস্তাঘাট অন্ধকার। শুধু ধোঁয়া বেরোচ্ছে। এত কারখানা হয়েছে, তাহলে কী করে বলছেন কারখানা হয়নি?" এই মন্তব্য নিয়েই তুমুল কটাক্ষের মুখে পড়েন হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘ধোঁয়াই ধোঁয়া’ এই মিমে ভরে যায় সোশাল মিডিয়া।
'বাদো বাদি বাদো বাদি'
সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম খুললে একটাই ভাইরাল গান শোনা যাচ্ছে। 'বাদো বাদি বাদো বাদি'। গোটা দেশজুড়ে রিলস, ভিডিওতে বাজছে এমন এক অদ্ভুত গান। ইউটিউবে ভাইরাল হয়েছে গানটি। ২৮ মিলিয়ন ভিউজ পাওয়ার পরেও ইউটিউব থেকে এই গান সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কপিরাইটের জন্য। যদিও গানটি ডাউনলোড করে দেদার চলছে সোশাল মিডিয়ায়।
'আহা টমাটর'
ইউটিউবে বাচ্চাদের জন্য একটি গান যে এমন আলোড়ন ফেলতে পারে সোশাল মিডিয়ায় তা হয়তো স্বপ্নেও কেউ ভাবতে পারেনি। ইউটিউবে রীতিমতো রেকর্ডস ভিউজ। এটি ছোটদের একটি কবিতা মাত্র। কিন্তু এই গানটি তুমুল জনপ্রিয় হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। রিলস থেকে ভিডিও সবেতেই জনপ্রিয়।
আপনার পছন্দের খবর আর আপডেট এখন পাবেন আপনার পছন্দের চ্যাটিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটস অ্যাপেও। যুক্ত হোন ABP Ananda হোয়াটস অ্যাপ চ্যানেলে