Pakistani Gold Reserve: একেই আর্থিক সমস্যা, অনটনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। খাদ্য, পানীয়ই অপ্রতুল দেশে। সবজি, শস্যাদি, ডাল, আটার দাম আকাশছোঁয়া, হু হু করে বেড়ে চলেছে দারিদ্র্য। আর এই সময়েই যেন আলাদিনের জিনের বরের মত মিলল সোনার খনি (Gold Mine)। তাল তাল সোনা উঠে এল নদীর অতল থেকে। পাকিস্তানি সংবাদসূত্রে জানা গিয়েছে সিন্ধু নদীর (Pakistan Gold Discovered) নীচ থেকেই পাওয়া গিয়েছে তাল তাল সোনা। এ যেন সাক্ষাৎ গুপ্তধন।
দেশের মন্দা কাটাবে এই সোনা
তাল তাল সোনা পাওয়া গিয়েছে পাকিস্তানের সিন্ধু নদীর নীচ থেকে আর যে সোনার মূল্য বর্তমানে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের অ্যাটক জেলায় একটি পর্যবেক্ষণ চালিয়েছে ইতিমধ্যেই পাকিস্তান সরকার আর এই পর্যবেক্ষণ ও সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে ঠিক কীভাবে এই অঞ্চল থেকে সোনা নিষ্কাশন করা হবে। আর এই সোনা এই মন্দার দিনে পাকিস্তানের কাছে ঘুরে দাঁড়াবার অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে। সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা ন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস পাকিস্তানের মাধ্যমেই এই সোনার খনির খননকার্য পরিচালিত হবে বলেই জানা গিয়েছে। এর সঙ্গে পঞ্জাবের মাইনস অ্যান্ড মিনারেলস বিভাগও এই বিষয়ে সহযোগিতা করবে।
নীলামের প্রস্তুতি চলছে
ন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর জরগম ইশক খান জানিয়েছেন, সিন্ধু নদীর তীরে অ্যাটক জেলা থেকে পাওয়া এই সোনার নীলামের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। ট্রানসাকশন অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেসের কাছ থেকে এই বিষয়ে পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।
ভারতের সঙ্গে কী সংযোগ
ভূতাত্ত্বিকেরা মনে করেন, এই সোনা আসলে হিমালয় থেকে বয়ে এসেছে সিন্ধু নদের বুকে। আর তারপরে পাকিস্তানে গিয়ে জমা হয়েছে। দেশভাগের আগে পাকিস্তানের এই বিশেষ অঞ্চল ছিল ভারতের অধীনে। খুব ছোট ছোট টুকরোর আকারে পাওয়া গিয়েছে এই সোনা। ক্রমাগত নদীর স্রোতে বয়ে যাওয়ার কারণে এর আকার গোল এবং চ্যাপ্টা হয়ে গিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী সিন্ধু নদ আসলেই বহু মূল্যবান খনিজের আঁতুড়ঘর।
কিছুদিন আগেই ৩০০০ বছর পুরনো সোনার শহরের সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। মরুভূমির মধ্যেই পাওয়া গেল খোঁজ। এই বিশেষ অঞ্চলে বহু বহু কাল আগে সোনার খনি ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। মিশরের এক বিশেষ অঞ্চলে এই প্রাচীন সোনার খনির খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।