ফরিদাবাদ: উপোস ভাঙতে গলায় ঢেলেছিলেন ফ্রুটি। আর তাতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন যুবক। পরিবারের দাবি, ফ্রুটি পান করার পরই বমি শুরু হয় তাঁর। পেটে যন্ত্রণাও অনুভব করছিলেন। দ্রুত পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। (Man Dies after consuming Frooti)

Continues below advertisement

হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে ঘটনাটি সামনে এসেছে। ৩৩ বছর বয়সি অঙ্কুশ বৃহস্পতিবার উপোস করেছিলেন। রাতের দিকে উপোস ভাঙার কথা ছিল। প্রথমে ফ্রুটি গলায় ঢালেন তিনি। আর তাতেই বিপদ ঘটে। তবে পরিবারের অন্যরাও ফ্রুটি পান করেছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। তাঁদের কারও কিছু হয়েছে বলে খবর মেলেনি। (Haryana News)

আরও পড়ুন: হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল মন্দির, ভিতরে আটকে পুণ্যার্থীরা, বাড়ছে হতাহত, ভয়ঙ্কর ঘটনা মহারাষ্ট্রে

Continues below advertisement

হনুমান নগর এলাকায় বাড়ি অঙ্কুশের। তাঁর পরিবার-পরিজনরা জানিয়েছেন, ফ্রুটি গলায় ঢালার পর থেকেই অস্বস্তি অনুভব করেন তিনি। এর পর বমি করতে শুরু করেন। পেটে যন্ত্রণা হচ্ছে বলে জানান। কেউ কিছু বুঝে ওঠার পরই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে শুরু করে।

সেই অবস্থায় স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় অঙ্কুশকে। কিন্তু অঙ্কুশের অবস্থা দেখে ওই বেসরকারি হাসপাতাল তাঁকে ভর্তি নিতে রাজি হয়নি। বাদশা খান সিভিল হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। 

আরও পড়ুন: দেশি গরুর গোবর, মূত্র নিয়ে গবেষণা, ৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল সরকার, ছ'বছরে কী পাওয়া গেল?

এর পর অঙ্কুশকে নিয়ে দিল্লির পথে রওনা দেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু পথে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই তিনি মারা যান বলে জানা গিয়েছে। খেড়ি পুল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দেবেন্দ্র সিংহ জানিয়েছেন, সর্বোদয়া হাসপাতাল থেকে রাত ১.৩০টা নাগাদ ফোন আসে। জানা যায়, উপোস ভাঙতে ফ্রুটি পান করেন ওই যুবক। আর তার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ইতিমধ্যেই অঙ্কুশের পরিবার-পরিজনদের বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। দেহ পাঠানো হয় ময়নাতদন্তের জন্য। ময়নাতদন্ত সম্পূর্ণ হলেও এখনও রিপোর্ট হাতে আসেনি। দেহ হস্তান্তর করা হয়েছে পরিবারকে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই অঙ্কুশের মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে, সেই মতো পদক্ষেপ করা হবে। বিষয়টি সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।