নয়া দিল্লি: উত্তর প্রদেশের পিলিভিট জেলার এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। এক নববিবাহিতা মহিলা তার স্বামীকে যে কারণে মারধর করেছে নিয়েই তুমুল হইচই। শিঙাড়া আনতে না পারায় মারধর করেছেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনার একটি ভিডিও, যা অবশেষে পারিবারিক ঝগড়ার রূপ নেয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
কী ঘটেছে? সঙ্গীতা তার স্বামী শিবমকে কাজ থেকে ফেরার সময় শিঙাড়া আনতে বলেছিলেন। শিবম বেরিয়েছিলেন কিন্তু পথে তার টাকা হারিয়ে ফেলেন। এরপর খালি হাতে বাড়ি ফিরে আসেন। পরিবার সূত্রে খবর, এরপরই তুমুল ঝগড়া বেধে যায় স্বামী-স্ত্রীর। তার স্ত্রী রাতের খাবারও খাবেন না এর জেরে এমনটাই জানান। পরে তার আত্মীয়দের ডেকে পাঠান, যারা তাঁর স্বামীকে মারধর করে বলে অভিযোগ।
তাঁর পরিবারের সদস্যরা শিবম ও তাঁর মাকে বেল্ট দিয়ে মারেন বলে অভিযোগ। শুধু ও শিবম ও তাঁর মা-ই নন, আরও কয়েকজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় পঞ্চায়েতের এক সদস্যও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু পঞ্চায়েতের হস্তক্ষেপেও কোনও লাভ হয়নি। মার খাওয়া স্বামীর দাবি, শুধু তাঁকেই নয়, তাঁর মাকেও মারধর করেন স্ত্রীর বাপের বাড়ির লোকজন।
শিবমের মতে, ঝগড়ার সময় তার মাকেও তার শ্যালক মারধর করে। পরে প্রাক্তন প্রধান অবধেশ শর্মার বাড়িতে একটি গ্রাম পঞ্চায়েত ডাকা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। সেখানেও, সঙ্গীতার আত্মীয়রা শিবমের পরিবারের উপর বেল্ট দিয়ে আক্রমণ করে এবং বেশ কয়েকজনকে আহত করে বলে অভিযোগ।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে শিবম জানিয়েছেন, ‘আমার স্ত্রী শিঙাড়া এনে দিতে বলেছিল। কিন্তু আমি শিঙাড়া আনতে পারিনি। পঞ্চায়েতের সদস্যরা এই সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সমস্যা মেটানোর বদলে ওর পরিবারের সদস্যরা আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের মারধর করেন। আমরা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছি।’ শিবমের মা জানিয়েছেন, ‘আমার ছেলে শিঙাড়া এনে দিতে না পারায় বৌমা বলে ও কিছু খাবে না। এরপর ও পরিবারের লোকজনকে ডেকে আনে। পঞ্চায়েতে আলোচনার সময় ওরা আমাদের মারধর করে।’ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।