Sikkim Tunnel Collapse: সিকিমে ভয়াবহ টানেল বিপর্যয়ে বাড়ল মৃতের সংখ্যা, রয়েছে বিষাক্ত মিথেন গ্যাস লিকের আশঙ্কাও, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকার্য

সিকিমের টানেল বিপর্যয়
সিকিমের নামচিতে ভয়াবহ টানেল বিপর্যয়ে ক্রমশ বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। সিকিমের নামচিতে নির্মীয়মাণ টানেলে ধসের জেরে মৃত্যু হয়েছে বহু শ্রমিকের।
এখনও পর্যন্ত আরও কিছু আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। রয়েছে রাজ্যের বাসিন্দাও।ইতিমধ্যে রাজ্যের মন্ত্রী বিশাল লামা এবং দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক সিকিম যাচ্ছেন।
মৃতদের পরিবারের প্রতি শোকজ্ঞাপন করে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শোক জ্ঞাপন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালও।
সোমবার সন্ধেয় নামচিতে NHPC প্রকল্পের নির্মীয়মাণ টানেলে ধস নামে।সিকিমের নামচিতে ভয়াবহ টানেল বিপর্যয়! একদিকে অতিবৃষ্টির জেরে ধস, অন্যদিকে, বিষাক্ত মিথেন গ্যাস লিকের আশঙ্কা। এই দুইয়ে মিলে ক্রমশ বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।
মঙ্গলবার সন্ধে পর্যন্ত আরও একাধিক মৃতদেহ উদ্ধার করতে পেরেছে প্রশাসন। আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিক দুর্ঘটনাগ্রস্ত টানেলে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সিকিমের নামচির ঝোলুঙ্গিতে NHPC-র তিস্তা স্টেজ-6 জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য একটি সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ চলছিল।
গত কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে এলাকায় অঞ্চলে। স্থানীয় সূত্রে দাবি, এই অতিবৃষ্টির মধ্যে সোমবার বিকেলে, এই টানেলে হঠাৎ ধস নামে। পাথর, কাদাজলে কার্যত বন্ধ হয়ে যায় সুড়ঙ্গের মুখ।
সিকিম প্রশাসন সূত্রে দাবি, সেইসময় টানেলের ভিতরে প্রায় ২৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। তারা সকলেই আটকে যান। ঘটনার পরেই উদ্ধারে নামে নামচি জেলা প্রশাসন, NHPC কর্তৃপক্ষ, NDRF, সিকিম পুলিশ ও সেখানকার দমকল ও জরুরি পরিষেবা বিভাগ।
উদ্ধারকারী দলের সদস্য বলেন, যাকে বের করে এনেছি তাঁর তো মৃত্যু হয়েছে। ওখানে (দুর্ঘটনাগ্রস্ত টানেলের ভিতরে) আমাদের সঙ্গীরা যা দেখেছি আরও ৭-৮ জন রয়েছেন, যাদেরও প্রাণ নেই। প্রথম চেষ্টায় ভিতরে জীবিত অবস্থায় তো কাউকে পাইনি। এরপরের চেষ্টায় হতে পারে ভগবানের আশীর্বাদে কাউকে জীবিত পেতে পারি। আমরা পৌঁছনোর পর প্রথম দেহ বেরিয়েছে।
ধসের পাশাপাশি, সূত্রের খবর, এই দুর্ঘটনাগ্রস্ত টানেলে বিষাক্ত মিথেন গ্যাসের কারণেও দম বন্ধ হয়ে যায় অনেকের। সিকিম নামচি পুলিশ সুপার সোনম ডোলমা ভুটিয়া বলেন, আমাদের হিসেব অনুযায়ী ২৭ জন আটকে আছেন। এই সংখ্যা বাড়তে বা কমতে পারে।
যে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে তার ফলে ভিতরে জল ভরে গেছিল টানেলে। তারজন্য উদ্ধারকাজে অসুবিধা হয়। সেই জল বের করে আবার উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। দুর্গাপুর আর আসানসোল থেকে গ্যাস ও কেমিক্যাল বিশেষজ্ঞরা আসছেন।