Human Behaviour: ইয়ার্কির নামে বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে না তো? রসিকতা ও অপমানের মধ্যে ফারাক বোঝা জরুরি

ছবি: ফ্রিপিক।
পরিবারের লোকজন একত্রিত হলে, বন্ধুবান্ধবরা আড্ডায় বসলে ইয়ার্কি-রসিকতা চলতেই থাকে। কিন্তু সব রসিকতার সঙ্গে কখনও কখনও মিশে থাকে শ্লেষও।
সেই শ্লেষ অন্য জনের বুকে শেল হয়ে বিঁধতে পারে। তাই রসিকতা ও অপমানের মধ্যেকার সূক্ষ্ম ফারাক বোঝা অত্যন্ত জরুরি।
কাউকে হাসানোর জন্য় যখন কিছু বলা হয় বা কোনও কাহিনি শোনানো হয়, তা রসিকতা হিসেবে গণ্য হয়। কোনও পরিস্থিতি বা ঘটনা নিয়েও হাসিঠাট্টা করা হয়।
কিন্তু এই হাসিঠাট্টার সঙ্গে যখন শ্লেষ, বিদ্রুপ মিশে যায়, যখন তাতে কেউ কষ্ট পান, তা আর রসিকতা থাকে না।
রসিকতায় সকলেই হেসে ওঠেন। হালকা মেজাজেই রসিকতা গ্রহণ করা হয়। সকলের আনন্দই প্রকাশ পায়।
কিন্তু শ্লেষ বা বিদ্রুপ মিশে থাকলে, তা বুঝে সামনের জন যেমন গুটিয়ে যান, তেমনই অস্বস্তিতে পড়েন বাকিরাও।
কারও আচরণ বা তাঁর জীবনের কোনও ঘটনা নিয়ে হাসিঠাট্টা করলে, আগে বুঝতে হবে, তিনি বিষয়টিকে হালকা ভাবে নিচ্ছেন কি না। তিনি আদৌ স্বচ্ছন্দ কি না জানতে হবে।
দুই বন্ধুর মধ্য়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে, তাঁরা একে অপরের খামতি তুলে ধরতে পারেন। সামনের জনের আচরণ নিয়ে রসিকতা করা যায় সেখানে।
কিন্তু পরস্পরের ঘনিষ্ঠ নন, শুধুমাত্র পরিচিত, এমন ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবন বা আচরণ নিয়ে রসিকতা করতে গেলে সীমা অতিক্রম করা হয়।
রসিকতায় হেসে গড়িয়ে পড়েন সকলে। মেজাজ ফুরফুরে হয়ে যায়। পরস্পরকে নিয়েই রসিকতা করি আমরা।
কিন্তু রসিকতার আড়ালে শ্লেষ থাকলে, বিদ্রুপ থাকলে, হাসি বদলে যায় গাম্ভীর্যে, সম্পর্কে তিক্তসা আসে, আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ নেমে আসে।